11.4 C
Toronto
শুক্রবার, মে ২০, ২০২২

অনলাইন হেইট বিলের সমালোচনা

- Advertisement -
অনলাইন হেইট বিলের সমালোচনা - The Bengali Times
ফাইল ছবি

অনলাইনে ক্ষতি প্রতিরোধে প্রস্তাবিত বিল অনলাইন স্বাধীনতা খর্ব করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এলজিবিটি কমিউনিটি ও আদিবাসী মানুষরা। এমনকি তাদের পুলিশের লক্ষ্যেও পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছে তারা।

তথ্য অধিকার আইনে প্রাপ্ত নথিতে অনলাইন হেইট স্পিচ থামানোর ব্যাপারে ফেডারেল সরকারের এই পরিকল্পনা সেক্স ওয়ার্কারসহ প্রান্তিক মানুষদের অন্যায়ভাবে পুলিশি নজরদারির মধ্যে পড়তে হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসকে কোম্পানির কাছ থেকে গ্রাহকের তথ্য নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অনলাইন প্ল্যাটফরমগুলো কিছু পোস্টের বিষয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে তথ্যও সরবরাহ করতে পারে। বর্তমানে বিলটি হেরিটেজ মন্ত্রী পাবলো রদরিগেজ নিযুক্ত একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলের বিবেচনায় রয়েছে।

- Advertisement -

বিল সি-৩৬ কে হালনাগাদের উদ্দেশে বিলটির পরিকল্পনা করা হয়েছে। গত সংসদের শেষ দিকে ঘৃণাবিরোধী আইনটি আনা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন ঘোষণার পর বিলটির মৃত্যু হয়। গত নির্বাচনের আগে আগে হালনাগাদ আইনটি নিয়ে সরকার জনগণের মতামত নেওয়া শুরু করে। বিলটি উত্থাপন তাদের অগ্রাধিকার বলেও ঘোষণা দেয়।

সুনির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইট বন্ধ ও ঘৃণাসূচক কোনো কন্টেন্ট নজরে এলে দ্রুত তা সরিয়ে নিতে প্ল্যাটফরমগুলোকে বাধ্য করার মধ্য দিয়ে হেইট স্পিচ ও নিপীড়ন বন্ধ করাই আইনটির উদ্দেশ্য। এর মধ্যে আছে নারী, ইহুদি, মুসলিম ও এলজিবিটি কানাডিয়ানদের প্রতি ঘৃণা।
কিন্তু এসব গ্রুপের কেউ কেউ বলছেন, মুক্ত মত প্রকাশেল সুযোগ আছে হাতেগোনা যে কয়েকটি জায়গায় ইন্টারনেট সেগুলোর অন্যতম। কিন্তু প্রস্তাবিত আইন তাতে লাগাম টেনে ধরতে পারে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles