16.8 C
Toronto
মঙ্গলবার, মে ২৪, ২০২২

স্বেচ্ছাসেবীর প্রয়োজন কিডস হেল্প ফোনের

- Advertisement -
স্বেচ্ছাসেবীর প্রয়োজন কিডস হেল্প ফোনের - The Bengali Times
কোভিড-১৯ মহামারির দুই বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী সংগঠন কিডস হেল্প ফোনের চাহিদা এতোটুকুও কমেনি।

কোভিড-১৯ মহামারির দুই বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী সংগঠন কিডস হেল্প ফোনের চাহিদা এতোটুকুও কমেনি। বরং তাদের চাহিদা আরও বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ফোন ও টেক্সট মেসেজের উত্তর দিতে কিডস হেল্প ফোনের বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবী রয়েছে প্রতি মাসে ১ হাজার ৬০০ জন।

সত্যি সত্যিই তরুণদের এই চাহিদা পূরণ করতে তাদের আরও স্বেচ্ছাসেবীর প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন অটোয়াতে এর ক্লিনিক্যাল অপারেশন্সের পরিচালক সারাহ বেঙ্কিরেন। তিনি বলেন, আমাদের সম্ভবত মাসে দুই হাজার সক্রিয় স্বেচ্ছাসেবক প্রয়োজন। তাই মাসিক ভিত্তিতে আরও ৪০০ সক্রিয় স্বেচ্ছাসেবক আমরা খুঁজছি।
জাতীয় দাতব্য সংগঠনটি ২৪ ঘণ্টা দুই ভাষায় টেক্স মেসেজ ও ফোন কলের উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা দিয়ে থাকে। অটোয়াতে বর্তমানে ২৭০ স্বেচ্ছাসেবী রয়েছে। কিন্তু স্কুল ও মহামারি-পূর্ব কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় সাহায্য প্রত্যাশীর সংখ্যা কমে গেছে বলে জানান বেঙ্কিরেন। তিনি বলেন, আমাদের যে দল আছে তা দিয়েই আমরা ব্যবস্থাপনাটি করছি। কিন্তু পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকের বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করতে চাই, যাতে করে তাদের প্রয়োজনের সময় তারা ছুটি নিতে পারেন।

- Advertisement -

মহামারি শুরুর আগেই কিডস হেল্প ফোনের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। এরপর প্রতি বছর গড়ে ১৯ লাখ যোগাযোগ করছে। ২০২১ সালে এর সংখ্যা ছিল রেকর্ড ৪৬ লাখ। মহামারির শুরুর দিকে ২০২০ সালের ১ মার্চ থেকে সংস্থাটি অটোয়ার ১৭ হাজারের বেশি টেক্সট মেসেজের উত্তর দিয়েছে। আর ফোনকলের উত্তর দিয়েছে ১০ হাজার জনের। বেঙ্কিরেন বলেন, চাহিদা অবশ্যই মহামারির আগের সময়ের তুলনায় বেড়েছে।

বেশ কিছু কারণে এ বছর তরুণদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার চাহিদা বেড়েছে বলে জানান দি রয়্যাল অটোয়া মেন্টাল হেলথ সেন্টারের ইয়ুথ সাইকিয়াট্রির ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর ড. গেইল বেক। তার মতে, এর মধ্যে একটি কারণ হলো কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় জানুয়ারিতে হঠাৎ করে স্কুল বন্ধ করে দেওয়া। শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার উভয়কেই ভুগতে হয়েছে এতে। তারা বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছে, যার তারা স্কুলে গেলে পেতো। এটা ছিল তাদের জন্য কঠিন একটা সময়।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles