
করোনাভাইরাসের গোষ্ঠী সংক্রমণ বাড়তে থাকায় টরন্টো ও পিল রিজিয়নের অত্যাবশ্যক পণ্য বিক্রয়কারী স্টোর ছাড়া অন্য সব খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে সশরীরে বেচাকেনা নভেম্বরের শেষ দিক থেকে বন্ধ রয়েছে। করোনাভাইরাসের গোষ্ঠী সংক্রমণ বাড়তে থাকায় এতোদিন এগুলো বন্ধ ছিল। প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর অন্টারিওর তৈরি রিওপেনিং ফ্রেমওয়ার্কে অঞ্চল দুটি ধূসর জোনে অন্তর্ভূক্ত হওয়ায় এখানকার অনাবশ্যক খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রগুলো গত সপ্তাহে খুলেছে। এরই সঙ্গে এ দুই অঞ্চলের স্টে-অ্যাট-হোম আদেশও তুলে নেওয়া হয়েছে।
ধূষর জোনে ঢুকলেও অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই বন্ধ থাকবে। অনাবশ্যক পণ্যের খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রগুলো খুললেও ইনডোরের ধারণক্ষমতার ৭৫ শতাংশ অব্যবহৃত রাখতে হবে। তবে সুপারমার্কেট, ফার্মেসি ও কনভিনিয়েন্স স্টোরগুলো ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারবে। পাশাপাশি আউটডোরেও ১০ জনের বেশি মানুষ জড়ো হওয়ার সুযোগ পাবে।
অন্টারিওর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্রিস্টিন এলিয়ট এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এটা ইতিবাচক হওয়া সত্ত্বেও বলব, ফ্রেমওয়ার্কে প্রবেশ করার অর্থ স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা নয়। আমরা অধিক সংখ্যক অন্টারিওবাসীকে ভ্যাকসিন প্রদানের কাজ অব্যাহত রেখেছি এবং এ সময় জনস্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার পাশাপাশি যতটা সম্ভব ঘরে থাকা উচিত। যাতে করে নিজেদের পাশাপাশি আপনজন ও কমিউনিটিকে সুরক্ষিত রাখা যায়।
ইয়র্ক, হল্টন ও ডারহামসহ গ্রেটার টরন্টোর অন্যান্য অংশ লাল জোনে পড়েছে। এর ফলে এখানকার রেস্তোরাঁগুলো ইনডোর ডাইনিং চালু করতে পারবে। সেই সঙ্গে জিম, হেয়ার সেলুনের মতো অন্যান্য ব্যবসাও খোলা যাবে। লাল জোনে প্রবেশ করেছে নর্থ বে পেরি সাউন্ড ডিস্ট্রিক্ট হেলথ ইউনিটও।

