
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের মাটিতে বসে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া হচ্ছে না।
ভারতের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবিক ঐতিহ্য ও সংকটে থাকা ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়ার নীতির অংশ হিসেবে তাকে ভারতে অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ অনুরোধ বিদ্যমান আইন ও প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা করে দেখছে।
প্রতিবেদনটি লোকসভায় উপস্থাপন করেছে পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় কমিটি, যার চেয়ারম্যান শশী থারুর। ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দুই দেশের সম্পর্ক এবং শেখ হাসিনার অবস্থানসংক্রান্ত বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারত চলে যান এবং বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন। তবে তাকে ঠিক কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
অন্যদিকে, শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি দলীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ, বিবৃতি প্রদান এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন—এমন তথ্য প্রকাশ্যে এলেও ভারত সরকারের দাবি, এগুলো তাদের পক্ষ থেকে অনুমোদিত কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ নয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ অনুরোধ এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় রয়েছে।

