
বলিউডের আশির দশকের আলোচিত অভিনেত্রী জ্যাসমিন ধুন্না মাত্র কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেই দর্শকের মনে জায়গা করে নেন। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ভিরানা-তে রহস্যময় ‘সুন্দরী ভূত’-এর চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি।
জ্যাসমিনের চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ১৯৭৯ সালে সরকারি মেহমান-এ, যেখানে তার সহশিল্পী ছিলেন বিনোদ খান্না। পরে ১৯৮৪ সালে ডিভোর্স-এ অভিনয় করেন। তবে তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয় ভিরানা।
সিনেমাটি মুক্তির পর একের পর এক নতুন ছবির প্রস্তাব এলেও হঠাৎ করেই অভিনয় থেকে সরে দাঁড়ান জ্যাসমিন। এরপর তিনি আর কোনো নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করেননি এবং জনসম্মুখেও খুব কম দেখা গেছে।
তার অন্তর্ধান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা গুঞ্জন প্রচলিত রয়েছে। কেউ দাবি করেন, আন্ডারওয়ার্ল্ডের চাপের কারণে তিনি বলিউড ছাড়েন, আবার কেউ বলেন তিনি বিদেশে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। অন্যদিকে, রামসে পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, মায়ের মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় তিনি স্বেচ্ছায় চলচ্চিত্রজগৎ থেকে দূরে সরে যান। এসব গুঞ্জনের পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে নেই।
বর্তমানে জ্যাসমিন ধুন্নার কোনো যাচাইকৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট নেই এবং তিনি গণমাধ্যম থেকেও দূরে থাকেন। ফলে তিনি ঠিক কোথায় আছেন বা কী করছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায় না।
চার দশক পরও ভিরানা-র সেই ‘সুন্দরী ভূত’ বলিউডের সবচেয়ে রহস্যময়ভাবে হারিয়ে যাওয়া অভিনেত্রীদের একজন হিসেবেই স্মরণীয় হয়ে আছেন।

