
ফুটবল শুধু মাঠের ৯০ মিনিটের লড়াই নয়, অনেক সমর্থকের কাছে এটি বিশ্বাস, আবেগ আর নানা রীতিনীতির বিষয়। বিশ্বকাপে প্রিয় দলের জয় দেখতে কেউ করেন প্রার্থনা, কেউ ব্যবহার করেন তাবিজ, আবার কেউ আশ্রয় নেন লোকজ আচার-অনুষ্ঠানের।
২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের পেছনে ‘জাদুর’ ভূমিকা ছিল বলে বিশ্বাস করেন দেশটির কিছু সমর্থক। ‘লা ব্রুজিনেতা’ নামে পরিচিত একদল নারী সমর্থক মোমবাতি জ্বালানো, প্রার্থনা ও বিভিন্ন আচার পালন করে দলকে সমর্থন করেছিলেন।
আফ্রিকার অনেক দেশেও ফুটবলের সঙ্গে আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের সম্পর্ক গভীর। সমর্থকেরা তাবিজ, বিশেষ পোশাক ও ধর্মীয় প্রার্থনার মাধ্যমে দলের সাফল্য কামনা করেন। ঘানা, নাইজেরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলের জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
ব্রাজিলেও ফুটবল ও বিশ্বাসের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ২০০২ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের প্রকাশ্য ধর্মীয় বিশ্বাস বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছিল।
তবে বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণ না থাকলেও সমর্থকদের কাছে এসব বিশ্বাস মানসিক শক্তি ও আশার প্রতীক। মাঠে খেলোয়াড়দের লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারিতে চলে ভালোবাসা, প্রার্থনা আর বিশ্বাসের আরেক যুদ্ধ।

