তুমি কত সুন্দর ও অসাধারণ একজন মানুষ ছিলে, কারিনাকে ফখরুলকন্যা শামারুহ

তুমি কত সুন্দর ও অসাধারণ একজন মানুষ ছিলে, কারিনাকে ফখরুলকন্যা শামারুহ - the Bengali Times
ড শামারুহ মির্জা ও কারিনা কায়সার ছবি সংগৃহীত

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশের শোবিজ অঙ্গনে। ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) রাতে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।

এরপর থেকেই তাকে নিয়ে নির্মাতা, সহকর্মী ও অনুরাগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভীর শোকপ্রকাশ করছেন। কারিনাকে নিয়ে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কন্যা ড. শামারুহ মির্জা।

- Advertisement -

শনিবার (১৬ মে) কারিনার একটি ছবি শেয়ার করে শামারুহ লিখেছেন, ‘কারিনা, তুমি ওপারে শান্তিতে থেকো। তুমি কত সুন্দর ও অসাধারণ একজন মানুষ ছিলে। আল্লাহ তোমাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন এবং যারা তোমাকে ভালোবাসতেন তাদের সবাইকে ধৈর্য ও শক্তি দিন।’

এই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কাজ নিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথাও প্রকাশ করেন শামারুহ।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি যখন প্রথমবার তোমার রিলসগুলো দেখেছিলাম, তখন সত্যি খুব মুগ্ধ হয়েছিলাম যে এত কম বয়সি একটি মেয়ে কীভাবে কমেডি আর ব্যঙ্গাত্মক রসবোধকে এমন একটা শিল্পে রূপ দিতে পারে। তুমি কত মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছ এবং এমন এক প্রভাব রেখে গেছ যা হয়তো তুমি নিজেও পুরোপুরি বুঝতে পারোনি।’

এর পর কুরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে শামারুহ লেখেন, ‘নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তারই দিকে ফিরে যাব।’

এছাড়াও তার ওই পোস্টের শেষাংশে ‘যারা নোংরা কমেন্ট করবে, প্রত্যেকটির স্ক্রিন শট নেওয়া হবে’ বলেও সতর্কবার্তা দেন তিনি।

উল্লেখ্য, লিভারসংক্রান্ত জটিলতায় কয়েক দিন ধরেই সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১১ মে) রাতে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

চিকিৎসার শেষ মুহূর্তের ব্যাপারে কারিনার বাবা কায়সার হামিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ ওর প্রেশার অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন কিন্তু ওকে আর বাঁচানো গেল না।’

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles