নাঈম বললো, ‘দে দে ড্যান্স দে, ড্যান্স দে’

নাঈম বললো, ‘দে দে ড্যান্স দে, ড্যান্স দে’ - the Bengali Times

নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে মাত্র ৯ রান খরচায় তুলে নিলেন ৫টি উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন শরিফুল ইসলাম। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার দুপুরের ম্যাচে এই পারফরম্যান্স ছিল শরিফুলের টি–টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট শিকার। ১৫২ ম্যাচ খেলার পর অবশেষে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচ সেরার পুরস্কারও উঠেছে তাঁর হাতেই।

- Advertisement -

ম্যাচ শুরুর আগেই অবশ্য এই কীর্তির আভাস পেয়েছিলেন শরিফুল। বরাবরের মতো নিজের রান-আপ মাপতে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। তখনই এক মাঠকর্মী তাঁকে বলেছিলেন, আজ তাঁর পাঁচ উইকেট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি তখন খুব একটা গুরুত্ব দেননি শরিফুল নিজেই।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সেই গল্প শোনান বাঁহাতি এই পেসার, “আমি যখন রান-আপ মাপছিলাম, তখন একজন গ্রাউন্ডসম্যান ভাই বলছিলেন—‘ভাইয়া, কেন জানি মনে হচ্ছে আজ আপনি পাঁচটা উইকেট পাবেন।’ আমি বলেছিলাম, এত সহজ না, তবে আল্লাহ দিলে হতে পারে। খেলতে খেলতে কখনো ভাবিনি যে পাঁচ উইকেট পাব। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ হয়তো কপালে লিখে রেখেছিলেন।”

বিপিএলের সিলেট পর্ব থেকে উইকেট পাওয়ার পর নাচের উদযাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন শরিফুল। ঢাকার ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। হাসান ইসাখিলকে আউট করে প্রথম উইকেট নেওয়ার পরই দেখা যায় সেই পরিচিত নাচ।

তবে এদিনের নাচের পেছনে ছিল সতীর্থ নাঈম শেখের সরাসরি উৎসাহ। শরিফুল বলেন, “নাচের কোনো প্ল্যান ছিল না। আমি শুধু মাথায় হাত দিয়েছিলাম। তখন নাঈম এসে বলল, ‘দে দে ড্যান্স দে, ড্যান্স দে।’ তারপর আর কী, ঝোঁকে হয়ে গেল। নাঈম আমার ভালো বন্ধু, আমরা অনেক দিন ধরে একসঙ্গে খেলছি।”

ম্যাচ সেরার পুরস্কার পাওয়ার পর আরেকটি মানবিক সিদ্ধান্তের কথাও জানান শরিফুল। তিনি বলেন, “আমি আগেই বলেছিলাম, যত দিন ক্রিকেট খেলব, ম্যান অব দ্য ম্যাচ হলে সেই টাকাটা আমার এলাকার অসচ্ছল মানুষদের দেব। আজ সেটা করতে পারছি বলে খুব ভালো লাগছে। ইনশাআল্লাহ, এই টাকাটা তাদের কাছেই যাবে।”

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles