টিকটকের জন্য ‘অত্যন্ত ধনী ক্রেতা’ খুঁজে পেয়েছি : ট্রাম্প

টিকটকের জন্য ‘অত্যন্ত ধনী ক্রেতা’ খুঁজে পেয়েছি : ট্রাম্প - the Bengali Times
ফাইল ছবি

সামাজিক মাধ্যম টিকটকের জন্য ‘অত্যন্ত ধনী’ ক্রেতা খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করতে পারেন তিনি।

তবে অ্যাপটি বিক্রি করতে চাইলে এ কাজে চীন সরকারের অনুমতির প্রয়োজন হবে। সোমবার (৩০ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

- Advertisement -

বার্তাসংস্থাটি বলছে, ধনীদের একটি দল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক কেনার পরিকল্পনা করেছে, তবে এ চুক্তি বাস্তবায়নে চীন সরকারের অনুমতির প্রয়োজন হবে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন।

রোববার ফক্স নিউজে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের কাছে টিকটকের একজন ক্রেতা রয়েছে। তবে আমার মনে হয়, চীনের অনুমতি লাগবে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (চীনের প্রেসিডেন্ট) সম্ভবত সেই অনুমতি দেবেন।”

তিনি আরও বলেন, এই সম্ভাব্য ক্রেতারা “অত্যন্ত ধনী” ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল, তবে তিনি জানাতে চাননি এর সঙ্গে কোনও বড় প্রযুক্তি কোম্পানি জড়িত আছে কিনা। তিনি বলেন, “প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত জানাবো।”

এর আগে ২০২৪ সালে মার্কিন কংগ্রেস টিকটক নিয়ে দ্বিদলীয় সমর্থনে একটি আইন পাস করে, যেখানে বলা হয়— চীনা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স যদি টিকটকের মার্কিন অংশ বিক্রি না করে, তবে পুরো অ্যাপটি যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ করা হবে।

মূলত এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ ছিল— টিকটকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের তথ্য চীনা সরকারের হাতে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই আইনকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত (সুপ্রিম কোর্ট) জানুয়ারিতে বৈধ ঘোষণা করে। ট্রাম্প এরপর জুন মাসে এক নির্বাহী আদেশে টিকটক বিক্রির সময়সীমা আরও ৯০ দিন বাড়িয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করেন। এটি ছিল টিকটক নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের তৃতীয় দফা সময় বৃদ্ধি।

টিকটক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৭ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারীর জন্য সেবা দিচ্ছে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শপথ নেওয়ার আগে টিকটক সাময়িকভাবে অফলাইনে চলে যায়, কিন্তু তিনি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর আবার চালু করা হয়।

 

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles