
নায়লা আজাদ নূপুর। চার সাড়ে চার দশকের চেনা জানা প্রিয়জন। নিউ ইয়র্কের ঢাকা ড্রামা নাট্যদলের ৩০ বছর পূর্তীতে তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে যোগ দিতে আসছে। অভিনয় ছাড়াও নূপুর কত দক্ষ একজন মঞ্চ নাটক পরিচালক তা দেখে মুগ্ধ হয়ে ছিলাম তার ‘রাজা’ দেখে। নাটকটির পোস্টার ডিজাইনটি আমি করে দিয়েছি বলেই যাওয়া। তবে না দেখলে বুঝতাম না আমেরিকার লস এঞ্জেলেসে থাকার দীর্ঘ সময় নাট্যতত্বে উচ্চতর শিক্ষা নেয়া তাকে কতটা পরিচালনা,লাইট,মিউজিক,স্টেপিং ও চরিত্রের কস্টিউমে দক্ষ করে তুলেছে।
নুপুরই প্রথম বাংলাদেশী অভিনেত্রী যে হলিউডের সিনেমা ‘স্টর্ম ইন দ্য আফটারনুন’ কি দারুণ অভিনয় করেছে। একখানে রাজার পোস্টার ডিজাইন ছাড়া নূপুরের যে ২টি ছবিদিলাম তা খ্যাতিমান দুইজন আনোয়ার হোসেন ও ডলি আনোয়ারের আমার সামনেই তোলা। রাঙ্গামাটি লেকে এস এম সির ফটো সুটে বিটপীর মডেলিং টিম গিয়ে ছিলো নূপুর,আনোয়ার ভাই, আমি ও আরো কয়েকজন।পরদিন সুট শুরু হবে। আগের দিন পড়ন্ত রোদে নূপুর লেকে নেমে পানি ছিটিয়ে দুষ্টোমী করছিলো। কেউ গুরত্ব না দিলেও আচমকা আনোয়ার ভাই নাইকন ক্যামেরায় বারবার শব্দ করে বিখ্যাত কিছু ছবি তুলে ফেলে ছিল্লেন।
পরে আনোয়ার ভাইয়ের ফটোগ্রাফী বই Woman এর কাভারে মনোনীত করেছিলেন নূপুরের এই ছবি। কালো কাঁচের টেবিল ছাদে নিয়ে গিয়ে ডলি ভাবী ভয়ে ভয়ে নূপুরকে তার ওপরে বসতে বলে ছিলেন,ভয় ছিলো কালো কাঁচ যদি ভেঙ্গে যায়। আমি একটু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম সিলভার প্লাস্টিক গোল চাকতি ধরে,যাকে রিফ্লেক্টর বলে। নিচে কপি পেস্ট করে দিলাম নিউ ইয়র্ক ঢাকা ড্রামা নায়লা আজাদ নূপুরের সম্পর্কে ইংরেজীতে যা দিয়েছে।

