
একসময় যা কেবল জাপানি নাটকের কল্পকাহিনি বলে মনে হতো, এখন তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাস্তব ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। ট্যাক্সি বা ফ্রিল্যান্স সেবার মতোই ঘণ্টাভিত্তিক পারিশ্রমিকে ‘রেন্টাল বয়ফ্রেন্ড’ বা ‘রেন্টাল গার্লফ্রেন্ড’ সেবা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এই সেবায় মূলত কথোপকথন, সামাজিক অনুষ্ঠানে সঙ্গ দেওয়া, সিনেমা দেখা, শপিং বা হাসপাতালে সহায়তার মতো কাজ করা হয়; যৌনসেবা এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।
এর সূচনা ১৯৯০-এর দশকে জাপানের ‘রেন্টাল পারসন’ ধারণা থেকে। সময়ের সঙ্গে এটি ‘রেন্টাল বয়ফ্রেন্ড’ ও ‘রেন্টাল গার্লফ্রেন্ড’ নামে পরিচিতি পায়। একাকীত্ব, ব্যস্ত নগরজীবন এবং সামাজিক যোগাযোগের চাহিদা বাড়ায় এ ধরনের সেবার বিস্তার ঘটেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এখন ভারতেও এ ধরনের সেবা ছড়িয়ে পড়ছে। বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও সামাজিক মাধ্যমের পেজে ঘণ্টাভিত্তিক পারিশ্রমিকে মুভি পার্টনার, শপিং সঙ্গী, ক্লাব সঙ্গী কিংবা হাসপাতাল সহায়তার মতো সেবা দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি প্রেমের সম্পর্কের বিকল্প নয়; বরং একাকীত্ব ও সামাজিক প্রয়োজন মেটাতে গড়ে ওঠা নতুন ধরনের সেবা-ভিত্তিক ব্যবসা, যা ধীরে ধীরে ‘গিগ ইকোনমি’র একটি অংশ হয়ে উঠছে।

