
বিশ্বকাপের শুরুটা হয়েছিল গোলশূন্য ড্র দিয়ে। তবে সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছে স্পেন। ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে লা রোজা।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। বল দখল, পাস এবং আক্রমণে ছিল তাদের স্পষ্ট আধিপত্য। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে গোলশূন্য থাকে ম্যাচ।
অন্যদিকে পুরো ম্যাচে আক্রমণভাগে নিজেদের সেরা খেলাটি খেলতে পারেনি আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময় এবং অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে তারা লক্ষ্যে একটি শটও রাখতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধের শেষদিকে এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।
অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের জয়সূচক গোলটি করেন বদলি খেলোয়াড় ফেরান তোরেস। পেদ্রো পোরোর ক্রস থেকে নিকো উইলিয়ামসের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বলে জালে পাঠিয়ে স্পেনকে কাঙ্ক্ষিত গোল এনে দেন তিনি। পরে আরও একটি গোল করলেও সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপ শিরোপা পুনরুদ্ধার করে স্পেন। আর শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন ভেঙে রানার্সআপ হয় আর্জেন্টিনা।

