সময়মতো এবিএ সাপোর্ট ফান্ডিং পাচ্ছে না অন্টারিওর অভিভাবকরা

সময়মতো এবিএ সাপোর্ট ফান্ডিং পাচ্ছে না অন্টারিওর অভিভাবকরা - the Bengali Times
এবিএ সাপোর্ট সার্ভিস এর সিইও তাসমিনা খান বলেন এটা সত্যি যে ফান্ডিং পেতে অনেক সময় লাগে এই দীর্ঘ সময়ের গ্যাপটা কমিয়ে নিয়ে আসা জরুরী

অন্টারিওর এবিএ তহবিল সহায়তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়েছেন একাধিক অভিভাবক। অটিজম আক্রান্ত শিশুদের উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরতে অন্টারিও সরকার ৬ হাজার থেকে ৬৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বার্ষিক সহায়তা দিয়ে থাকে। কিন্তু এই ফান্ডের প্রাপ্যতা নিয়েও রয়েছে না ক্ষোভ। কারণ আবেদন করার ৫ থেকে ৬ বছর অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু ১৮ বছরের নিচের শিশুর পরিচর্যা এবং উন্নয়নের ব্যয় থেমে থাকে না। ফলে অভিভাবকদের নিজের পকেট থেকে সবল ব্যয় নির্বাহ করতে হয়।

প্রতি ক্লায়েন্টের জন্যে এবিএ সাপোর্ট সেন্টার বা এবিএ সাপোর্ট ওয়ার্কাররা ঘন্টায় ১০০ থেকে ২০০ ডলার চার্জ করে থাকেন। প্রতি সপ্তাহে ৮ থেকে ১০ ঘন্টার সেশন দরকার হয়। ফলে অভিভাবকরা অনেক সময় হতাশ হয়ে যান এই ব্যায় মেটাতে। এই বিষয় নিয়ে বেঙ্গলি টাইমস এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় এবিএ সাপোর্ট সার্ভিস এর সিইও তাসমিনা খানের সঙ্গে। এই প্রতিবেদকের সঙ্গে তিনি এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। তিনি বলেন, এটা সত্যি যে ফান্ডিং পেতে অনেক সময় লাগে। এই দীর্ঘ সময়ের গ্যাপটা কমিয়ে নিয়ে আসা জরুরী। আমাদের সঙ্গে প্রচুর বাবা-মা সন্তানের সাপোর্টের জন্যে যোগাযোগ করেন। কিন্তু দু:খজনক বিষয় হলো তাদের বেশির ভাগেরই সামর্থ্য নেই এই ব্যয় মেটানোর। ৫-৬ বছর অপেক্ষা করতে হয় বলে অনেকে আবেদন করতে চান না। আমরা সবসময় বলে আসছি যে, এই বিষয় নিয়ে অন্টারিও ও ফেডারেল সরকারকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। খান আরো বলেন, আমরা আশা করবো অভিভাবকদের এই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে।

- Advertisement -

যাদের তহবিল সহায়তা নেই তাদের কীভাবে আপনারা সপোর্ট দেন? এই প্রশ্নের জবাবে তাসমিনা খান বলেন, আমরা সবসময় মানবিক থাকার চেস্টা করি। ক্লায়েন্টকে সাপোর্ট দেয়া, আচরণের উন্নয়নে পরিকল্পনা করা-প্রতিটি কাজই আমরা করি একটা স্ট্যার্ন্ডাড বজায় রেখে। প্রচুর ক্লায়েন্টের এসেসম্যান্ট সেশন আমরা বিনা ফি তে করেছি। হয়তো ফান্ড পাচ্ছেন না, তাকে কীভাবে মিনিমাম বাজেটে সর্বোচ্চ সার্ভিস দিতে পারি সেটা সবসময় আমরা মাথায় রাখি।

এবিএ তহবিল সহায়তা নিয়ে অন্টারিও অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। এই বিষয়ে ফেডারেল এবং প্রভিন্সিয়াল সরকারের উচিত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

এই বিষয় নিয়ে অন্টারিও সরকারের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার চেস্টা করা হলে তারা জানান, বিষয়টি তারা দেখবেন। পর্যাপ্ত তথ্য নিয়ে তারপর কথা বলবেন। অফিসিয়ালি এখন কোনো মন্তব্য করতে চান না।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles