মনখারাপ আর দুশ্চিন্তার কারণ জানেন?

মনখারাপ আর দুশ্চিন্তার কারণ জানেন? - the Bengali Times
ছবি সংগৃহীত

আপনার কেন মন খারাপ হচ্ছে, তার কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। আপনি ধরতে পারছেন না কেন মুডঅফ। আবার উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠারও তেমন কোনো কারণ ঘটেনি। তা-ও দুশ্চিন্তার মেঘ কাটছে না। অবসাদে ডুবে যাচ্ছে মন। কোনো কাজেই উৎসাহ নেই, আগ্রহ নেই। এর জন্য দায়ী আপনার কিছু অভ্যাস।

কোনো কারণই ধরতে পারছেন না—কেন দুশ্চিন্তা। জীবনে নানা সময় আসে, যখন কোনো কাজ করতে ভালো লাগে না, নিজের ভেতরে গুটিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। সেই মুহূর্তে একটি বাক্যেই নিজের মানসিক অবস্থা বুঝিয়ে দেন সবাই— মন ভালো নেই। মন মাঝে মধ্যে অল্প বিস্তর খারাপ হতেই পারে। সবারই হয়। আবার নিজে থেকেই অনেক সময় ঠিকও হয়ে যায়, তা রোগের পর্যায়ে পড়ে না। কিন্তু ‘মুড ডিজঅর্ডার’ এক জটিল রোগ।

- Advertisement -

মনখারাপ জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী হলে, তখন তা চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মন কেন ভালো নেই, এর নেপথ্যে নানা কারণ থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে মনোবিদরা বলছেন, প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসও এর জন্য দায়ী হতে পারে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি, যা যা কাজ করছেন, তাতেই লুকিয়ে থাকতে পারে মন খারাপের বীজ।

কর্টিসল হরমোনের অত্যধিক ক্ষরণ হলে তবেই মনখারাপ বেশি হয়। মানসিক চাপও বাড়ে। এই হরমোনের ক্ষরণ বেশি হতে পারে নানা কারণে। যেমন— কম ঘুম, নেশার প্রকোপ, বেশি জাঙ্কফুড খাওয়ার অভ্যাস এবং শরীরচর্চা একেবারেই না করা। প্রতিদিনের কিছু কাজ কর্টিসল হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিতে পারে, সেগুলো জেনে রাখা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন অভ্যাসের কারণে মনের চাপ বাড়ছে—

অফিসের কাজ বাড়িতেও নিয়ে আসার অভ্যাস যাদের রয়েছে কিংবা যারা রাত করে বাড়ি ফিরে আবার সকাল হতেই অফিস যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেন কিংবা যারা রাত জেগে সিনেমা দেখে বা সামাজিক মাধ্যমের পাতায় নজর রেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেন, তাদের রাতে অনেক সময়েই পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। কম ঘুম কর্টিসলের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে মানসিক চাপও বাড়ে। একই সঙ্গে হরমোনের গোলমালের কারণে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে থাকে।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles