16.5 C
Toronto
শুক্রবার, অক্টোবর ৭, ২০২২

ইউরোপে বিদ্যুৎ গতিতে ছড়াচ্ছে ওমিক্রন

- Advertisement -
ইউরোপে বিদ্যুৎ গতিতে ছড়াচ্ছে ওমিক্রন - the Bengali Times
প্রতীকী ছবি।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ওমিক্রন এখন ইউরোপে ‘বিদ্যুৎ গতিতে’ ছড়িয়ে পড়ছে এবং সামনের বছরের শুরুতে ফ্রান্সে এটাই হবে করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়া ধরণ। এরইমধ্যে ফরাসি কর্তৃপক্ষ ফ্রান্সে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। খবর বিবিসির।

অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট এখন বিশ্বের অন্তত ৮৯টি দেশে শনাক্ত হয়েছে। এটি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের থেকেও অনেক বেশি দ্রুততার সঙ্গে ছড়াচ্ছে এবং মাত্র তিনদিনের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী হার নিয়ে ইউরোপ এবং আমেরিকাতেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ওমিক্রন বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের পরামর্শদাতা বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে আরও কঠোর ব্যবস্থা না নিলে হাসপাতালগুলো বিশাল চাপের মুখে পড়বে।

ইউরোপে এখন পর্যন্ত ওমিক্রন সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে যুক্তরাজ্যে। শুক্রবার সেখানে ১৫ হাজার ওমিক্রন সংক্রমণ ধরা পড়েছে পরীক্ষায়।

ইউরোপজুড়ে এখন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা করোনাভাইরাসের নতুন ঢেউয়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। জার্মানি, আয়ারল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডসে নতুন নিষেধাজ্ঞার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ইউরোপে ৮ কোটি ৯০ লাখ কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়েছে এবং প্রায় ১৫ লাখ মানুষ কোভিড সংক্রান্ত কারণে মারা গেছে।

জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার বলেছেন, তাদের দেশকে এখন এমন এক পরিস্থিতির জন্য তৈরি হতে হবে, যা এখনো পর্যন্ত এভাবে তারা দেখেননি। জার্মানি এরইমধ্যে ফ্রান্স, নরওয়ে এবং ডেনমার্ককে ‘উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন’ বলে ঘোষণা করেছে। শনিবার জার্মানিতে ৪২ হাজার সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে ঘোষণা করা হয়।

আয়ারল্যান্ডের সরকারও জানিয়েছে, সেখানে মোট কোভিড সংক্রমণের এক তৃতীয়াংশ এখন ঘটছে ওমিক্রনের কারণে।

যুক্তরাজ্য থেকে যারা ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক কাজে ফ্রান্সে যাতায়ত করেন, তাদের জন্য ফ্রান্স শুক্রবার রাত থেকে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। ডোভার পোর্ট এবং ইউরোস্টার টার্মিনালে এর ফলে মানুষের দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছিল এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগেই সীমান্ত পার হওয়ার জন্য।

শুধু ফ্রান্স নয়, এর আগে ইতালি, গ্রিস এবং পর্তুগালও ঘোষণা করেছে যে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত কোনো দেশ থেকে তাদের দেশে ঢুকতে হলে কোভিড পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল থাকতে হবে।

Related Articles

Latest Articles