
ইংলিশ চ্যানেল থেকে কানাডিয়ান নৌবাহিনীর ইতিহাসের এক খন্ড উঠে এল। এখন সেটির গন্তব্য হতে যাচ্ছে জাদুঘরে। কিন্তু সবাই এটি উদ্যাপন করছেন না।
সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং ব্রিটিশ ডাইভার ও ইউটিউবার ডম রবিনসন সমতল থেকে ৬৭ মিটার নিচে এইচএমসিএস ট্রেনেটোনিয়ানের ঘণ্টাটির সন্ধান পান। ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জার্মান ইউ-বোট রয়্যাল কানাডিয়ান নেভি করভেটটি ডুবিয়ে দেয়। ওই হামলায় ছয় নাবিক নিহত হন এবং মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে জাহাজটি পানিতে নিমিজ্জিত হয়।
৩০ বছরের বেশি সময় ধরে জাহাজের ধ্বংসাবশেষ খোঁজার কাজ করছেন রবিনসন। তিনি এই আবিস্কারকে আবেগাত্মক এবং অবিশ্বাসরকম উত্তেজনাপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন।
রবিনসন বলেন, চোখে দেখার আগ পর্যন্ত আমারর বিশ্বাস হয়নি। আমি সত্যিই অবিশ্বাসরকম খুশি। এটা সেই মুহূর্তগুলোর একটি, ডাইভাররা যার স্বপ্ন দেখেন।
ধ্বংসাবশেষে তৃতীয়বারের ডুবে বেলটির অবস্থান নিশ্চিত করেন রবিনসন। এতে জাহাজের নাম খোঁদাই করা রয়েছে। তার বিশ্বাস, বেলটির আবিস্কার ইতিহাসকে সংরক্ষণ করবে, যা হারিয়ে যেত।
ঘণ্টাটি কানাডিয়ান নেভির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন এটি কানাডায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। হ্যালিফ্যাক্সের নেভাল মিউজিয়ামে এটি সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রদর্শনীর জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
তবে সবাই ঘণ্টাটি উদ্ধারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন। নেভাল হিস্টোরিয়ান রজার লিটউইলার বলেন, ট্রেনটোনিয়ানকে যুদ্ধ কবর হিসেবে বিবেচেনা করা উচিত। একটি কবর যে ধরনের সম্মান পায়, ট্রেনটোনিয়ানেরও একই সম্মান প্রাপ্য।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যে ১২৩টি ফ্লাওয়ার-ক্লাস করভেট মোতায়েন ছিল এইচএমসিএস তার একটি। যুদ্ধে খোয়া যাওয়া সর্বশেষ জাহাজ এটি।
This article was written by Sohely Ahmed Sweety as part of the LJI.

