
উত্তরপ্রদেশের মহোবা জেলা থেকে একটি ভয়ঙ্কর ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে ২৬ বছর বয়সী এক বিবাহিত মহিলা রানি এবং ইউটিউবার অমিতের মধ্যে গত এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। রানির স্বামী রমেশ এ সম্পর্কে জানতেন এবং বহুবার তাদের সতর্কও করেছিলেন। কিন্তু অমিত রানির সঙ্গে দেখা করা বন্ধ করেনি। অবশেষে, রমেশ তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে অমিতকে সরিয়ে দেওয়ার ছক কষে।
২৫ মে রাতে রানি ফোনে অমিতকে ডেকে পাঠায় চিনহি রোডে। অমিত বাইকে করে সেখানে পৌঁছায়। রানি তার সঙ্গে বসে কথাবার্তা বলতে শুরু করে। সেই সময়ই রমেশ তার বন্ধুদের সঙ্গে মিলে অমিতের উপর হামলা চালায়।
আরও পড়ুন: টাইটানোবোয়া না অ্যানাকোন্ডা, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ কোনটি জানেন? জানুন, দুই সাপের তুলনা…
লাঠি ও রড দিয়ে বেধড়ক মারধরের পর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অমিতের। খুনের পর স্বামী-স্ত্রী মিলে মৃতদেহ রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে রানি ও রমেশকে গ্রেফতার করে। জেরায় দু’জনেই অপরাধের কথা স্বীকার করে নেয়। হত্যায় ব্যবহৃত লাঠি ও রড উদ্ধার করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, অমিত ছিলেন একজন বাইক রাইডিং ইউটিউবার এবং নিজের ব্লগের জন্য পরিচিত ছিলেন। ময়নাতদন্তে মাথা ও বুকে গুরুতর আঘাতের প্রমাণ মিলেছে, যা মৃত্যুর কারণ।
উত্তর ভারতে এর আগেও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে বিহারের বাঁকা জেলায় এক স্ত্রী নিজের অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে স্বামীর আপত্তিতে তার প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করে, এমনকি তার মাথাও দেহ থেকে আলাদা করে দেয়। তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
একইভাবে ২০২৫ সালের মার্চে, উত্তরপ্রদেশের আওরইয়াতে এক নববধূ বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় নিজের প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করায়। খুনিকে ২ লক্ষ টাকার ‘সুপারি’ দেওয়া হয়েছিল।
সূত্র : নিউজ ১৮ বাংলা

