-4.6 C
Toronto
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৭, ২০২২

নভেম্বরে কানাডায় বেকারত্ব নেমেছে ৬ শতাংশে

- Advertisement -
ছবি/সিগমন্ড

নভেম্বরে কানাডার শ্রম বাজারে নতুন করে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭০০ কর্মসংস্থান যুক্ত হয়েছে। এর ফলে বেকারত্বের হার মহামারি সময়কালে সর্বনি¤েœ নেমে এসেছে। সেই সঙ্গে কর্মক্শ মানুষের চাকরিপ্রাপ্তি সর্বকালের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে।

এর ফলে কানাডায় বেকারত্বের হার ৬ শতাংশে নেমে এসেছে। মহামারি শুরুর আগে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে যেখানে বেকারত্বের হার ছিল ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ কানাডায় বেকারত্বের হার এখন মহামারি পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে মাত্র দশমিক ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি আছে।

- Advertisement -

তবে চাকরি চান কিন্তু সন্ধান করেননি এমন ব্যক্তিদের যুক্ত করলে নভেম্বরে বেকারত্বের হার ৭ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়াবে বলে জানিয়েছে স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা। অক্টোবরে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। সব খাত ও প্রদেশেই কর্মসংস্থানের হারে উন্নতি দেখা গেছে। তবে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার তথ্য এখানে যুক্ত করা হয়নি। কারণ, জরিপটি শুরু হয়েছিল ভয়াবহ বন্যা শুরু হওয়ার আগে।

বেকারত্বের হার হ্রাসের কারণে ৬ মাস বা তার বেশি সময় ধরে কাজের বাইরে আছেন এমন কানাডিয়ানের সংখ্যা নভেম্বরে ৬২ হাজারে নেমে এসেছে। আগস্টের পর সংখ্যাটি কমার এটাই প্রথম ঘটনা। স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার হিসাবে, সংখ্যাটি সবচেয়ে বেশি কমেছে যারা অন্তত ১২ মাস কাজের বাইরে আছেন তাদের মধ্যে।

মোট সম্পাদিত কর্মঘণ্টাও মহামারি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে এসেছে। অ্যাকাউন্টিং ফার্ম আরএসএম কানাডার অর্থনীতিবিদ তু এনগুয়েন বলেন, অবশেষে ইতিবাচক অনেক কিছুই ঘটছে। এই কর্মীরা টানেলের শেষ প্রান্তে এখন আলো দেখতে পাচ্ছেন।
বেকারত্ব হ্রাস ও কর্মখালি বাড়তে থাকার পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিক সংকট আরও খারাপ পরিস্থিতির দিকে যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে পরিসংখ্যান অফিস। কানাডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের শ্রমশক্তি কৌশল বিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক লিয়াহ নর্ড বলেন, বেকার কর্মীদের শুন্যপদে না নিয়োগ দেওয়া অথবা যথেষ্ট সংখ্যক কর্মী না পাওয়া পর্যন্ত শ্রমিক সংকট পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।

শ্রমিক সংকটের ফলে ২০১৯ সালের নভেম্বরের তুলনায় গড় মজুরি ৫ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। মূল্যস্ফীতির যা প্রায় সমান। স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা বলছে, দুই বছর ধরে যারা কাজে আছেন তাদের তুলনায় নতুন নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের বেতন দ্রুত বেড়েছে।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এলএইচএইচের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা তানিয়া গুলিসন বলেন, কোম্পানিগুলো নতুন নিয়োগ ও বিদ্যমান কর্মীদের ধরে রাখার চেষ্টা করায় বেতন বৃদ্ধির ধারা আগামী বছরও অব্যাহত থাকবে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles