22.9 C
Toronto
বৃহস্পতিবার, জুন ২০, ২০২৪

মুনতাসীর মামুনের জন্মদিনে

মুনতাসীর মামুনের জন্মদিনে

মুনতাসীর মামুনের জন্মদিন পালন করতে ধানমন্ডি বাড়ির ছাদে জড়ো হয়েছিলেন তার কাছের মানুষ, পুত্র ও কন্যা তাদের পরিবার কিছু প্রিয়জন।মূলত প্রতি বছর তার ছাত্র ছাত্রী আয়জন করে লিড দেন অধ্যাপক ড.চৌধুরী শহীদ কাদের। এবার ও মামুন ভাইয়ের বিখ্যাত বই ‘ঢাকা স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী’ বইয়ের প্রচ্ছদ দিয়ে তৈরী কি সুন্দর জন্মদিন কেক ।

- Advertisement -

ফাতেমা ভাবী আমন্ত্রণ করেছেন যেতেতো হবেই। অন্যদিকে গুলশান দুইয়ের কাছে বন্ধু রানা মুস্তাফীর বাড়িতে বিশাল ডিনারের আমন্ত্রণ । প্রিয় কবি কবীর হোসেন তাপস,কবি রেজাউদ্দিন স্ট্যালিন,কবি আবদুর রবগণ ভয়াবহ আড্ডা জমিয়ে তুলবে। ঢাকার শুক্রবার সন্ধ্যায় এমনি হয়,একাধিক আমন্ত্রণ । অবশ্য এর আগে ঢাকার আঁলিয়েন্স ফ্রান্সিসের লা গ্যালারীতে তরুণ শিল্পী জিয়াউর রহমানের প্রদর্শনী ও লালমাটিয়ায় গ্যালারী ইউলুশানের গ্রুপ শোর উদ্বোধনীতে ও হাজিরা দিয়েছি।তারপর গিয়েছি মামুন ভাইয়ের ছাদে।

শেষে সাড়ে নয়টায় ভাবীকে ফিসফিস করে বলে না খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম। নিচে নামতেই দেখি ঢাকার সুপারম্যান গর্জিত রাগী মোটরবাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বল্লাম-এক মিনিট খোলা রাস্তায় এই ঈদে দেয়া ভাবীর পাঞ্জাবী খুলে পিঠের ব্যাগ থেকে গত বছর রানার দেয়া কালো সুন্দর পাঞ্জাবী পরে নিয়ে বাইকে উঠে বসলাম। সুপারম্যান মোটরবাইক উড়িয়ে নিয়ে চল্লো। অন্য সময় এভাবে জোরে চালালে হাত দিয়ে তাদের পেটের চামড়া টিপে ধরি।তারা ঘোড়ার মত শান্ত হয়ে যায়। আজ আর শান্ত করলামনা। বরং বল্লাম চালাও সুপারম্যান আরো জোরে চালাও। তানা হলে দুই দিকেই খাওয়া পাবোনা! মাত্র ২৫মিনিটে ধানমুন্ডি ১৪/এ থেকে গুলশান আমারি কিংবা লেকশোর হোটেলের সামনে রানা বাড়ির গেইটে নেমে পাঁচ তলায় উঠে বেল টিপতে দরজা খুলে গেলো। রানার লম্বা খাওয়ার টেবিলে সব কবিরা যীশুর লাস্ট সাপারের মত খেতে বসেছে।

রানার স্ত্রী নুসরাত কত পদের আয়োজন করেছে কে জানে! কবি স্টালিনের শিল্পী স্ত্রী উৎফুল্ল হয় বল্লো-আমি বলে ছিলাম না! বড় বড় চিংড়ী ইকবাল ভাইয়ের খুব পছন্দ,তিনি আসবেনই! খেতে-খেতে রানা দাঁড়িয়ে দুই হাত তুলে তার স্পেশাল গগনভেদী কন্ঠে বলে উঠলো- আরে সেই পাঞ্জাবী! গত বছর আমি গিফট করে ছিলাম। একটি ফুলের জন্যে যুদ্ধ মুদ্ধ করার চেয়ে বন্ধুদের বিন্দু আনন্দের জন্যে আমি একটু কষ্ট করি! ভালো লাগে। এই আছি,এই নাই! না,মরার কথা বলছিনা! এই ঢাকায় আছি আবার এই টরন্টো চলে যাবো।মাঝে হোক একটু জীবনের খাইষ্টামী।*শব্দটি সদ্য দেশ পত্রিকায় একটি গল্পে পেয়েছি।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles