
আজকে অকটেনের দাম বেশ কমেছে, প্রায় ২০ সেন্টের মতো।
মূল কারণ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দলের ভরাডুবি। আমেরিকার কংগ্রেসের উভয় কক্ষই এখন ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে। যদিও নবনির্বাচিতরা জানুয়ারিতে শপথ নেবেন, তবু প্রভাব পড়া শুরু হয়ে গেছে।
ট্রাম্পের দলকে সংক্ষেপে GOP বলে। Grand Old Party (GOP)। GOP বা রিপাবলিকান পার্টিকে ডানপন্থী দল বলা হয়। এরা ধর্মীয়ভাবেও কট্টর। গতকালের নির্বাচনে GOP হেরেছে, মানে সংসদে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। আমেরিকার মানুষ ডানপন্থা চায়নি। তারা চেয়েছে জীবনযাপনের জন্য সবকিছুর দাম হাতের নাগালে থাকুক। মেকিং আমেরিকা গ্রেট এগেইন (মাগা) তারা চায়নি। এ নির্বাচনে ট্রাম্পের মাগার হো***গা মারা গেছে।
কিন্তু তারপরেও ট্রাম্প এখনো প্রেসিডেন্ট। সে আমেরিকা ও বিশ্ববাসীকে এখনো দুই বছর জ্বালাতন করবেই। কারণ তার ভেটো পাওয়ার রয়েছে।
কংগ্রেস যেকোনো আইন পাস করলে ট্রাম্প ভেটো দেবে, মানে ‘না’ বলবে। এটি সে ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। তার সই ছাড়া তো কোনো আইন পাস হবে না। তবে তার লাগাম টেনে ধরার জন্য নানান রকমের কমিটি হবে। তাকে দৌড়ের ওপর রাখা হবে।
ইরানে যুদ্ধ হয়তো আর হবে না। হরমুজ প্রণালি নিয়ে গ্যাঞ্জামও হয়তো কমে যাবে। তেল ও গ্যাসের বাজারে অস্থিরতা কমবে। তাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও কমবে। মানুষ একটু স্বস্তি পাবে।
শেয়ারবাজারগুলো হয়তো স্থিতিশীল হবে। কানাডাসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে ট্যারিফ নিয়ে বাণিজ্যযুদ্ধ হয়তো থেমে যাবে। কানাডার ব্যবসা-বাণিজ্য আবার ঘুরে দাঁড়াবে। ব্যাংক সুদের হার কমবে। বাড়ির দামে স্থিতিশীলতা আসতে পারে।
আমেরিকার ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল, তা হয়তো কমে আসবে।
সার্বিকভাবে আমেরিকার এই নির্বাচন সমগ্র পৃথিবীর জন্যই একটি পজিটিভ বার্তা দিচ্ছে। দেখা যাক কী হয়?
টরন্টো, কানাডা।

