প্রেসিডেন্সিয়াল লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন শাহ হালিম

- Advertisement -

পুরস্কার হাতে শাহ হালিম

টেক্সাসের বাংলাদেশ এসোসিয়েশন হিউস্টন (বিএএইচ) এর প্রাক্তন চেয়ারপার্সন এবং ২০২০ সালের ফোবানার প্রেসিডেন্ট শাহ হালিম প্রেসিডেন্সিয়াল লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড -২০২১ এর একজন হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। পুরস্কারের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মি. জো বাইডেন স্বাক্ষরিত একটি সনদপত্র, একটি ফলক, সীলসহ প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাচিভমেন্ট মুদ্রা, প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাচিভমেন্ট কোট পিন, একটি হোয়াইট হাউজ প্রেসিডেন্সিয়াল পেন এবং প্রেসিডেন্সিয়াল সীলসহ একটি শ্যাম্পেনের গ্লাস। শাহ হালিম তার জীবনের ২৫ বছরেরও অধিক সময় বাংলাদেশ এসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ আমেরিকান সেন্টারে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছেন। বিএএইচ – এর চেয়ারপার্সন হিসেবে দীর্ঘ ছ’বছর বাংলাদেশ – আমেরিকান সেন্টারকে গড়ে তুলতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তিনি বিশ বছরেরও অধিক সময় ধরে হিউস্টনের মূলধারার অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়গুলোর সাথে জড়িত আছেন। বিগত বছরগুলোতে মি. হালিম এবং বিএএইচ ঘূর্ণিঝড় হার্ভির সময় শত শত পরিবারকে সাহায্য করতে হিউস্টন ফুড ব্যাংকের জন্য ব্যাপক অবদান রেখেছেন। হার্ভি হিরোদের একজন হিসেবে তিনি বৈচিত্রকে তুলে ধরা, ঘৃণা ছড়ানো গ্রুপগুলোর বিরূদ্ধে সংগ্রাম করা, অভাবী পরিবারগুলোকে সহায়তা করা, এবং যেকোন স্থানে সংঘটিত সামাজিক অবিচারের বিরূদ্ধে সরব হতে মূলধারার বহু সঃগঠনের সাথে কাজ করতে ৫০ সদস্যের একটি স্বেচ্ছাসেবী দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি প্রতিবেশীর জীবন মানের উন্নয়নে ইনার সিটি রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্টে বিনিয়োগ করেছেন। এছাড়া তিনি বেশ কিছু ইনার-সিটি চার্চের সামাজিক কর্মসূচীতে কাজ করেছেন। বিগত ১৫ বছর যাবৎ ফোবানার সাথে সংশ্লিষ্ট শাহ হালিম ২০২০ সালে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। কোভিড ১৯ এর সঙ্কটকালে বাংলাদেশ ও উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশী নাগরিকদের সহায়তায় অর্থ সংগ্রহে ফোবানার প্রচেষ্টায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তার আজীবন কমিউনিটি, দাতব্য এবং সামাজিক-বিবেক চর্চা অ্যাওয়ার্ড কমিটির দৃষ্টি এড়ায়নি।
শাহ হালিম তার বাবার স্বপ্ন পূরণে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। তিনি প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা, সমাজকর্মী এবং বিজিএমইএ-এর প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রয়াত শাহ আব্দুল হালিমের পুত্র । শাহ হালিম পরিবার বিগত কয়েক শতক ধরে বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে বসবাস করে আসছেন। তার দাদা-দাদী উভয়ই শিক্ষাবিদ ছিলেন। শাহ পরিবার ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে গোপালগঞ্জের বায়াসপুর কাশিয়ানী এলাকায় অসামান্য ভূমিকা পালন করেছেন।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles