ড্যানিকার ‘গুনো চলো’

ড্যানিকার ‘গুনো চলো’ - the Bengali Times
গুনো চলো হলো একটি ঐতিহ্যবাহী নেপালি পোশাক এবং মেয়েদের বয়ঃসন্ধিতে পদার্পণ বা সাবালিকা হওয়ার একটি পবিত্র অনুষ্ঠান

‘গুনো চলো’ হলো একটি ঐতিহ্যবাহী নেপালি পোশাক এবং মেয়েদের বয়ঃসন্ধিতে পদার্পণ বা সাবালিকা হওয়ার একটি পবিত্র অনুষ্ঠান। ‘গুনো’ বলতে বোঝায় ঐতিহ্যবাহী শাড়ি বা স্কার্ট এবং ‘চলো’ বলতে বোঝায় ঐতিহ্যবাহী ব্লাউজ বা ওপরের অংশের পোশাক। এই অনুষ্ঠানটি একজন কিশোরীর নারীত্বে উত্তরণের আনুষ্ঠানিক যাত্রাকে চিহ্নিত করে। সাধারণত মেয়েটির বয়স যখন ৭ বা ৮ বছর হয়, তখন এই ‘গুনো চলো’ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

আজকে ছিল ড্যানিকার সেই অনুষ্ঠান।

- Advertisement -

যারা চিনেন না, ড্যানিকে হলো আমার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু, দীপক এর একমাত্র মেয়ে। ড্যানি আমার নিজের ভাগ্নির মতো। ওকে নিয়ে আমাদের অনেক স্মৃতি আছে। দেখতে দেখতে বড়ো হয়ে গেলো। এখনো আমার মনে পড়ে ওর জন্মের কয়েকঘন্টা আগে যখন ওর মা, অম্বিকার পেইন উঠে তখন ভোর ৩টা, আমি ওর বাবা-মাকে নিয়ে হাসপাতালে যাই, তার কয়েকঘন্টা পরে ওর জন্ম হয়। ড্যানিকা ট্যালেন্টেড এবং লক্ষি একটি মেয়ে ! আপনারা যারা আমার FB পোস্ট ফল করেন তাহলে ওকে দেখে থাকবেন কারণ ও আমাদের সাথে প্রায়ই বিভিন্ন আউটডোর প্রোগ্রামে যায়, বিশেষ করে ক্যাম্পিং ওর খহুব পছন্দের একটা জিনিস।

আজকে সন্ধ্যা আমরা ওর এই অনুষ্ঠানেই কাটাই।

ড্যানিকার ‘গুনো চলো’ - the Bengali Times

সব মিলিয়ে খুব ভালো হয়েছে। ওখানে আমাদের আরও কিছু বন্ধুদের সাথেও দেখা হয়, অনেক দিন পরে। ওদের অধিকাংশই নেপালি কানাডিয়ান এবং আরো ছিল ড্যানিকার ইস্কুলের সহপাঠীদের পরিবার।

অনুষ্ঠানটির ভেন্যু ছিল বুখারী গ্রিল হাউস। খাবার দাবার সুস্বাদু ছিল, কম ঝাল মশলা কিন্তু খেতে ভালো। ওয়াশরুম অনেক পরিষ্কার ছিলি, যেটি আমার ব্যাক্তিগত ভাবে লক্ষণীয় বিষয়।

এতগুলো মানুষ, কিন্তু সব থেকে ভালো যে জিনিসটি লক্ষণীয়, সেটি হলো ওখানে আলোচনার মধ্যে কোনো দেশি রাজনীতি, কানাকানি, কাউকে মোক করা, বা কোনো ধরনের চিল্লা চেল্লি ছিল না।

ড্যানিকা নিজে তার এই নারীত্বে উত্তরণের আনুষ্ঠানের তাপপর্য সম্পর্কে ছোট্ট একটি প্রেসেন্টেশন দেয়। অল্প কথায় খুব সুন্দর করে গুছিয়ে বলেছে সে। একটি গান এবং নাচও করেছে সে।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles