21.3 C
Toronto
বৃহস্পতিবার, মে ২৩, ২০২৪

১০ বছর চোখে চোখে, গোপন বৈঠক: যেভাবে মেসি এখন মায়ামির

১০ বছর চোখে চোখে, গোপন বৈঠক: যেভাবে মেসি এখন মায়ামির
<br >লিওনেল মেসি এবং ডেভিড বেকহ্যাম ছবি সংগৃহীত

পিএসজির সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর আর তার বাড়াননি লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন এ তারকাকে নেওয়ার জন্য বিশাল অংকের প্রস্তাব দিয়েছিল সৌদি ক্লাব আল-হিলাল। গুঞ্জন ছিল, শৈশবের ক্লাব বার্সেলোনায় ফেরারও। তবে সব জল্পনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের দল ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা।

তবে, ইন্টার মায়ামিতে মেসির যোগ দেওয়া আকস্মিক কোনো ঘটনা নয়। এ জন্য দীর্ঘ ১০ বছর চোখে চোখে রাখতে হয়েছে ক্লাবটিকে। করা হয়েছে গোপন বৈঠকও। ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি ও বর্তমানে ইন্টার মায়ামির যৌথ মালিক ডেভিড বেকহ্যাম জানিয়েছেন পেছনের এই গল্প।

- Advertisement -

সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিককে বেকহ্যাম বলেন, ‘কথোপকথন শুরু হয়েছিল ডিনারে ওয়াইনের গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে। আমি হোর্হের (হোর্হে মেসি, লিওনেল মেসির বাবা ও তার এজেন্ট) দিকে ফিরে বলি, ‘‘একদিন আমরা মেসিকে আমাদের ক্লাবে নিয়ে আসতে চাই। এটা ছিল তখন, আমরা যখন প্রথম দেখা করি। … আরেকটি ঘটনা ১০ বছর আগের। অর্থাৎ, এটি সবসময়ই আমাদের মাথায় ছিল। আমি মনে করি, প্রত্যেক ক্রীড়া ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকই মনে করেন, ‘‘আমরা আমাদের ক্লাবে সেরা খেলোয়াড় আনতে চাই’’। কিন্ত সবাই কি সেটা পারেন? অবশ্যই না। কিন্তু আমরা রাতের খাবারে এমন ভাবছিলাম যে, ‘‘ঠিক আছে , যদি আমরা আমাদের বাজারের জন্য, আমাদের ভক্তদের জন্য, বিশ্বের এই অংশের জন্য লিওকে আনতে পারি, এর চেয়ে ভাল আর কেউ নেই।’’

বেকহ্যাম আরও জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি মেসির প্রতিনিধির সঙ্গে গোপন বৈঠক করতে বার্সেলোনায় গিয়েছেলেন। বলেন, ‘আমরা গোপনে লন্ডন থেকে বার্সেলোনার উদ্দেশে বিমানে উঠি। আমরা একটি হোটেলে ঢুকলাম, হোর্হে মেসির সঙ্গে দেখা করলাম এবং কথোপকথন শুরু করলাম। এভাবে বলা হয়েছিল, ‘আমরা আপনার ছেলেকে একদিন আমাদের দলের হয়ে খেলতে দেখতে চাই। আমরা জানি, সে এখন আসতে পারবে না। কিন্তু একদিন আমরা মায়ামিতে লিওকে দেখতে চাই।’

২০০৭ সালে আমেরিকার ফুটবলে যোগ দিয়ে বেশ সাড়া ফেলেছিলেন বেকহ্যাম। তবে মেসির চুক্তিই আমেরিকার ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা বলে মানেন তিনি। বলেন, ‘লিওনেল মেসিকে ইন্টার মায়ামিতে, মেজর লিগ সকারে নিয়ে আসা, তাও বিশ্বকাপ জয়ের এক বছর পর, এমন একটি দলে যার বয়স তিন বছর, অবিশ্বাস্য একটি অর্জন এটি। আমি কখনোই ভাবিনি একজন মালিক হিসেবেও আমার খেলায়াড় থাকাকালীন সময়ের অনুভূতি হবে। … আমার মনে হয়েছিল, আমাদের দলের হয়ে খেলতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়ের স্বাক্ষর করার জন্য সমস্ত প্রতিযোগীকে পরাজিত করেছি।’

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles