অসুস্থতাজনিত ছুটি না থাকায় কর্মক্ষেত্রে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করছে

- Advertisement -

ট্রুডো বলেন, নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হলো কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত সব কর্মীকে ১০ দিনের অসুস্থতাজনিত সবেতন ছুটি মঞ্জুর করা…ছবি/পিএম অফিস

ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড হেলথ নেটওয়ার্কের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত কর্মীদের জন্য তিন দিন, কুইবেকে দুই দিন এবং প্রিন্স এডওয়ার্ড আইল্যান্ডে একদিন অসুস্থতাজনিত সবেতন ছুটির সুযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত কর্মীদের অসুস্থতাজনিত ছুটিকে সবেতন করতে আইনের যে সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে তা ফাস্ট-ট্র্যাক করতে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সম্মুখসারীর স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি জোট।

এর আগে ট্রুডো বলেন, নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হলো কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত সব কর্মীকে ১০ দিনের অসুস্থতাজনিত সবেতন ছুটি মঞ্জুর করা। সেই সঙ্গে সব কানাডিয়ানের জন্য যাতে অসুস্থতাজনিত ছুটির উন্নত নীতি তৈরি করা হয় সেজন্য প্রদেশ ও অঞ্চলগুলোর সঙ্গে কাজ করাও তার সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে।

- Advertisement -

সরকার গঠনের ১০০ দিনের মধ্যে এটি কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। যদিও এই গতিকে যথেষ্ট মনে করছে না ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড হেলথ নেটওয়ার্ক। সংগঠনের নেতা ও অন্টারিওর পিল রিজিয়নের জরুরি চিকিৎসক ডা. গাইব্রি স্টিফেন বলেন, আমার রোগীদের পক্ষে আরও সময় নেওয়া সম্ভব নয়। সত্যি কথা বলতে, সবেতন ছুটির জন্য ১০০ দিন অপেক্ষা করার মতো অবস্থঅ আমাদের নেই। রোগ তো আর আমাদের রোগীকে সংক্রমিত করতে ১০০ দিন অপেক্ষা করবে না।

অসুস্থতাজনিত সচেতন ছুটির ব্যবস্থা না থাকায় মহামারির মধ্যে অনেক কানাডিয়ানের জন্য তা বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করে। বিশেষ করে সেইসব কর্মী যাদের অসুস্থ্য হলেও বাড়িতে থাকার সুযোগ নেই। তাদের কারণে কর্মক্ষেত্রে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়।

- Advertisement -

নির্বাচনী প্রচারণাকালে জাস্টিন ট্রুডো দেশের সর্ববৃহৎ নিয়োগদাতা হিসেবে এ ব্যাপারে উদাহরণ সৃষ্টি করার কাজ ফেডারেল সরকারের বলে মন্তব্য করেন।

- Advertisement -

বিষয়টি নিয়ে ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড হেলথ নেটওয়ার্ক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। ১০ দিনসহ জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থার সময় আরও ১৪ দিন সবেতন ছুটির সুযোগ রেখে দ্রুততম সময়ে কানাডিয়ান লেবার কোড সংশোধনের ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

টরন্টো জনস্বাস্থ্য বিভাগের নার্স স্টেফানি সারমিয়েন্তো বলেন, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে ফ্লুর মতো কোনো উপসর্গ দেখা দিলে রোগীদের আমরা বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি। কিন্তু সবেতন ছুটি ছাড়া শ্রমজীবী পরিবারগুলোর পক্ষে এ পরামর্শ মেনে চলা কঠিন। কানাডায় ফ্লু মৌসুম আসন্ন হওয়ায় বিষয়টি জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠান্ডা ও শ্বাসকষ্টে ভোগা শিশু ও প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের সংখ্যা কানাডায় বাড়তে শুরু করেছে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles