- Advertisement -


কানাডার বুকে কবির ভাইয়ের ১১কেজি ওজনের লাউ ! কিন্তু ঝুলে ছিলো চিকন একটি বোটায়। সৃষ্টিকর্তার অপূর্ব সৃষ্টি !!!!
আজকে সন্ধ্যায় গত বছরের রেখে দেওয়া একটি মিষ্টি কুমড়া এবং এই সামারের লাউ আনার জন্য ব্রাম্পটন প্রবাসী, বিশিষ্ট বাগানী কবির ভাইয়ের বাসায় গিয়েছিলাম। সেখানে দেখলাম কবির ভাইয়ের গাছে হওয়া ১১ কেজি ওজনের একটি লাউ। মাশাল্লাহ খুব সুন্দর হয়েছে। লাউটি উনি রেখেছেন আগামী সামারের বীজ তৈরী করার জন্য। আমরা শুধু লাউয়ের ওজন বা সৌন্ধর্য ছাড়াও চিন্তা করছিলাম ওতো বড়ো লাউটি ঝুলে ছিলি ছোট একটি বোটায়, ওই ছোটো বোটাটি কিভাবে এতো বড়ো একটি লাউ ধরে রেখেছিলো !!
এই বরফ পড়া শীতের দেশে, শুধু মাত্র ২ মাসের মতো সত্যি সত্যি সামার থাকে তারই মধ্যে কিভাবে এভাবে এই লাউয়ের মতো সব্জিগুলি বেড়ে উঠে, mature হয় এবং আবার তাদের অবসান ঘটে। তাছাড়া এখানকার বাগানীদের কর্মকান্ড এবং এই বিরূপ পরিবেশে তাদের ট্রপিকাল দেশের সবজি অতি অল্প সময়ে উৎপাদন করা আমার কাছে খুবই inspiring মনে হয়। এর থেকে একটা জিনিস প্রমান হয়, আপনি যদি সঠিক পরিবেশ তৈরী করতে পারেন তাহলে যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন।
আমার দেশ ত্যাগ অনেক অনেক বছর আগে। সে সময় এই ধরণের সবজি উৎপাদন তো দূরে থাক, এই জাতীয় সবজি এইসব দেশে পাওয়াই দুস্কর ছিল, আর এখন সেই দেশেই আমাদের ভাইবোনেরা উৎপাদন করছেন সমস্ত দেশি শাকসবজি, এবং এই সকল শাকসবজি স্বাদেও খুব মজার। এগুলি যে শুধু খাবার টেবিলে তরকারির যোগান দিচ্ছে তা নয়, আমাদের জীবনের অতিপ্রয়োজনীও অক্সিজেনও সরবরাহ করছে।
এই শীতের দেশে, সীমিত সময়ে জীবনের অতিপ্রয়জোনীয় জিনিষটি সরবরাহ করার জন্য কবির ভাইয়ের মত কানাডাস্থ সমস্ত বাগানী ভাইবোনদের জন্য রইলো প্রানঢালা দোআ।

স্কারবোরো, কানাডা

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles