-5.5 C
Toronto
রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪

ধসে পড়ুক হিজাব সংস্কৃতি

ধসে পড়ুক হিজাব সংস্কৃতি
মাহসা আমিনী

মাহসা আমিনীর মৃত্যুর মাধ্যমে ধসে পড়ুক হিজাব সংস্কৃতি ইরানের। মেয়েরা জ্বালিয়ে দিচ্ছে হিজাব প্রকাশ্যে রাস্তার উপর আগুনে। আর কতকাল বন্দী করে রাখবে আভরণে অন্ধকারে।

এই সব নিয়ম মেয়েরা মানে না। ওদের প্রতিবাদ সফল হোক । ফিরে যাক ১৯৭৯ সালের আগের আধুনিক সময়ে আবার। যখন ইরানের মেয়েদের এমন হিজাব পরে ঢেকে রাখার প্রয়োজন ছিল না নিজেদের। শান্তি এবং সুন্দর ভাবেই জীবন চলছিল তখন।
লিখেছিলাম সেপ্টেম্বরে, যখন মাহসা আমিনীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে নারীদের হিজাব না পরার আন্দোলন শুরু হলো ইরানে। আশা ছিল একটা উত্তরণ ঘটবে।
অবশেষে নারীদের হিজাব না পরার অধিকার অন্দোলন সফল হলো। যদিও দুই মাস ধরে অনেকের মৃত্যু হয়েছে, অনেক অত্যাচারের মধ্যে দিয়ে ইরানের নারীরা গিয়েছে।

- Advertisement -

অবশেষে তারা পেয়েছে অধিকার। আর কোন পুলিশ গোষ্টি থাকবে না নারীরা হিজাব পরল কিনা তা দেখার জন্য।
হিজাব পরা না পরা নারীদের স্বাধীনতা।

১৯৭৯ সালে খোমেনির হিজাব নিয়ম চালু হওয়ার পর অনেক ইরানী দেশ ছেড়ে চলে যায় ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা এবং আরো অন্য দেশে।
অনেকের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে। তারা আধুনিক মনের মানুষ । ধর্মের নামে নারীদের উপর চাপিয়ে দেয়া পোশাকের চাপ তারা পছন্দ করেনি। তারা নিজেদের পছন্দের জন্য দেশ ছেড়ে চলে এসেছিল, শাসকের মোকাবেলা করার শক্তি ছিল না তাই। কিন্তু তাদের উত্তরসূরী প্রমাণ করল ইরানে থেকেও তারা নিজেদের স্বাধীনতায় বাঁচতে চায়। আইন এখন তাদের পক্ষে।

মাহসা আমিনী একটি অধ্যায়ের সমাপ্ত করল। ইতিহাসে আইকন হয়ে থাকল।

টরন্টো, কানাডা

- Advertisement -
পূর্ববর্তী খবর
পরবর্তী খবর

Related Articles

Latest Articles