ভরণপোষণ বাবদ মাসে ৭ লাখ টাকা চেয়েছেন শ্রাবন্তী!

- Advertisement -

শ্রাবন্তী ও তাঁর স্বামী রোশন সিং

দেখতে দেখতে একটা বছর আলাদা থেকেই কাটিয়ে দিলেন শ্রাবন্তী ও তাঁর স্বামী রোশন সিং। গত বছর পুজোর পরেই জানা গিয়েছিল রোশন ও শ্রাবন্তীর সম্পর্কে ভাঙন ধরেছে। তারপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল। বার বার শ্রাবন্তী ও রোশনকে নিয়ে নানা গুঞ্জন, নানা ট্রোল। তবে এ নিয়ে প্রকাশ্যে শ্রাবন্তী কিছু না বললেও, রোশন কিন্তু প্রথম থেকেই শ্রাবন্তীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন। আর বার বার তিনি চেয়েছেন ফের নতুন করে শ্রাবন্তীর সঙ্গে পথ চলা শুরু করতে। অন্যদিকে অবশ্য, নানা সময়েই ইনস্টাগ্রামে নানারকম ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করে বাক যুদ্ধে মেতেছেন রোশন ও শ্রাবন্তী। শেষমেশ, এই সম্পর্কের তিক্ততা বেড়ে আদালতে পৌঁছল তা। স্ত্রী শ্রাবন্তীকে ঘরে ফেরাতে চলতি বছরের জুলাই মাসে মামলাও করেন রোশন। কিন্তু শ্রাবন্তী নিজের অবস্থান থেকে একেবারেই সরলেন না। বরং রোশনের কাছ থেকে চাইলেন ডিভোর্স। আদলাতে বিবাহবিচ্ছেদের মামালও দায়ের করলেন শ্রাবন্তী। তবে শুধু বিচ্ছেদই চাননি তিনি। ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোডের ১২৫ ধারা অনুযায়ী, রোশনের কাছ থেকে প্রতিমাসে খোরপোশ বা ভরণপোষনের জন্য টাকাও দাবি করলেন শ্রাবন্তী। শোনা যাচ্ছে, শ্রাবন্তী প্রতি মাসে ৭ লাখ টাকা দাবি করেছেন স্বামী রোশনের কাছ থেকে!

খবরের সত্যতা সম্পর্কে জানতে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের তরফ থেকে যোগাযোগ করা হয় রোশন সিংয়ের আইনজীবী শ্যামল মণ্ডলের সঙ্গে। তাঁর কথায়, শ্রাবন্তীর তরফ থেকে খোরপোশের মামলা দায়ের করা হয়েছে। যেখানে রোশনের তরফ থেকে প্রতিমাসে ৭ লক্ষ টাকা দাবি করেছেন শ্রাবন্তী। আগামী ১৫ ডিসেম্বর এই মামলার শুনানি রয়েছে।

- Advertisement -

কয়েকদিন আগে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে রোশন জানিয়ে ছিলেন, ‘শ্রাবন্তীর বন্ধুরা আমাকে নপুংসক বলছে। আমি নাকি সঙ্গমে অক্ষম। এসব নোংরা মন্তব্য করে আমাকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে!’ এমনকী রোশনের অভিযোগ, শ্রাবন্তীর বন্ধুরা নাকি নিয়মিত তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকাকে ফোন করেও বদনাম ছড়ানোর চেষ্টা করছে। সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে রোশন জানিয়েছেন, ”সবার জীবনেই প্রাক্তন রয়েছে। আমারও ছিল। তবে সেটা ৫ বছর আগে। শ্রাবন্তীকে আমি জানিয়েও ছিলাম। শ্রাবন্তীর বন্ধুরা সেই মেয়েটিকে ফোন করে বলেছে, আমি নাকি টাকা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছি। আমি নাকি জালিয়াত। আমার একটাই কথা, আমি যদি সত্যিই টাকা নিয়ে পালিয়ে গিয়ে থাকি, তাহলে পুলিশে যাচ্ছে না কেন? আমার নামে মামলা করুক! শুধু তাই নয়, কয়েকজন তো বলছে আমাদের অনেক কানেকশন রয়েছে, রোশনকে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে দেব। সারাজীবন জেলের পিছনে থাকবে।’

খোরপোশ মামলা নিয়ে বিশদে রোশনের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন, ‘আপাতত এই নিয়ে কিছুই মন্তব্য করতে চাই না। যা হবে আদালতে।’ অন্যদিকে, শ্রাবন্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টার করা হলে, তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি । এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রাবন্তীর আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles