‘এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না!’

- Advertisement -

অভিনেত্রী জয়া আহসান

সাম্প্রদায়িক হিংসার আগুনে উত্তপ্ত গোটা বাংলাদেশ। সোশ্য়াল মিডিয়ার মাধ্যমে ওপার বাংলার ভয়ংকর সব ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের বীভৎস সব ছবি দেখে ঘুম উড়েছে দুই বাংলার মানুষেরই। ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সব মহলের মানুষ। নিজের মতো করে সোশ্যাল মিডিয়ায় গোটা ঘটনার তীব্র নিন্দাও করছেন সেলিব্রিটিরা। ঘটনার নিন্দা করে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, শ্রীলেখা মিত্র, দেবশংকর হালদার, ঋদ্ধি সেনের মতো অভিনেতারা। আর এবার ফেসবুকে গর্জে উঠলেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসান। নবারুণ ভট্টাচার্যের লেখা থেকে শব্দ ধার নিয়ে জয়া তীব্র নিন্দা করলেন বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক হিংসার।

ওপার বাংলার সঙ্গে সঙ্গে এপার বাংলাতেও দারুণ জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান (Jaya Ahsan)। এপার বাংলা ও ওপার বাংলায় নিয়মিত যাতায়াত তাঁর। কয়েকদিন আগে বাংলাদেশেও গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে শেয়ার করেছিলেন তাঁর পুজোর প্ল্যান। তবে এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশের জ্বলন্ত ছবি পোস্ট করে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী।

- Advertisement -

ফেসবুকে জয়া আহসান রংপুরের একটি ছবি আপলোড করেছেন, ‘যেখানে দেখা যাচ্ছে দূরে আগুন জ্বলছে। এরকমই এক গায়ে কাঁটা দেওয়া ছবি পোস্ট করে জয়া লিখলেন, ‘এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না, এই জল্লাদের উল্লাসমঞ্চ আমার দেশ না, এই বিস্তীর্ণ শ্মশান আমার দেশ না, এই রক্তস্নাত কসাইখানা আমার দেশ না।’ শুধু তাই নয়, প্রতিবাদে ফেসবুকে প্রোফাইল পিকচারও সরিয়ে দিলেন জয়া।

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, রবিবার রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় হিন্দুদের উপর আক্রমণ হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি উসকানিমূলক পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হয়। জানা গিয়েছে, রামনাথপুর ইউনিয়নের মাঝিপাড়ার জেলেপল্লিতে হিন্দুদের ২০টি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।

- Advertisement -

পুলিশ সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোরান অবমাননা করে একটি পোস্ট দেওয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়তেই হামলার ঘটনাগুলি ঘটছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে দুর্গা মণ্ডপে, ইসকনের মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর চালোনা হয়। এই ঘটনায় কার্যত মুখ পুড়েছে ক্ষমতাসীন দলের। যদিও দ্রুত ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে দোষী সন্দেহে অনেককে ধরপাকড় করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের দাবি, পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই বাংলাদেশের পুজো মণ্ডপে হামলা চালানো হয়েছে। হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট করতেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল বলে জানালেন। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles