আদিবাসী কমিউনিটি ট্রুডোকে নিন্দা জানানোর অপেক্ষায়

- Advertisement -

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো

আবাসিক স্কুল ব্যবস্থার ভুক্তভোগীদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের দিন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো তার পরিবার নিয়ে ছুটি কাটাতে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার টফিনো ভ্রমণ করেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে না পারার কারণে তিনি ক্ষমা প্রার্থনাও করেন। কিন্তু ট্রুডোর ক্ষমা চাওয়ায় তুষ্ট নন আদিবাসীরা।

দুই দফা চিঠির পরও প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর তাতে সাড়া না দেওয়াকে অপমান হিসেবে দেখছে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার কাম্পলুপসের ফার্স্ট নেশন। তবে এ মাসের শেষ দিকে আদিবাসী কমিউনিটি ট্রুডোকে নিন্দা জানানোর জন্য অপেক্ষা করে আছে বলে বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে তারা।

- Advertisement -

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আবাসিক স্কুল ব্যবস্থায় ঐতিহাসিকভাবে যে ভুলগুলো হয়েছে তা সংশোধন ও প্রকৃত পরিবর্তন আনার ব্যাপারে ট্রুডোর যে ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতি তার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে বিশ্বের সামনে তা উঠে আসত। সেই সঙ্গে ইন্ডিয়ান রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের ভুক্তভোগীদের প্রতি ব্যক্তিগত সমর্থনও জানাতে পারতেন। কানাডিয়ান সরকার আবাসিক স্কুল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে এবং এর সমাধানে তাদেরকেই আদিবাসী জনগণের সঙ্গে কাজ করতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ভুক্তভোগী, তাদের পরিবার ও কমিউনিটির প্রতি স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হতো। পাশাপাশি অনেকের জন্যই শান্তি বয়ে আনার পরিস্কার একটা ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হতো।

- Advertisement -

ফার্স্ট নেশন বলছে, ক্ষত শুকাতে ও আদিবাসীদের ভাষা, সংস্কৃািত ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে প্রকৃত পদক্ষেপ ও পরিবর্তনটা খুব বেশি প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার প্রতি আমাদের কোনো আগ্রহ নেই। কারণ, এর মধ্য দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যাপকভিত্তিক কোনো পরিবর্তন আসবে না।

- Advertisement -

বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বৃহস্পতিবার সংক্ষিপ্ত একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো ও টিকে’এমলাপস টি সিকোয়েপেমসির প্রধান রোজানে ক্যাসিমিরের মধ্যে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উপায় নিয়ে কথা হয়েছে। সাবেক একটি আবাসিক স্কুলে ২০০ অচিহ্নিত কবরের সন্ধান পাওয়া নিয়েও এর আগে ট্রুডো ও ক্যাসিমিরের মধ্যে কথা হয়।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles