11.3 C
Toronto
শনিবার, নভেম্বর ২৬, ২০২২

অপরাধে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস জানতে চায় ফেডারেল সরকার

অপরাধে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস জানতে চায় ফেডারেল সরকার
ছবি/স্ট্যাংগার ইন্ডাস্ট্রি

ফেডারেল সংস্থাগুলো অপরাধে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস জানার চেষ্টা জোরদার করছে। তবে প্রাদেশিক বাধা সংস্থাগুলোকে সে পর্যন্ত যেতে নাও দিতে পারে।

ফেডারেল সরকার বলছে, আরসিএমপি বাধ্যতামূলক একটি ট্রেসিং নীতি চালু করেছে। এর অর্থ হলো যেখানে আরসিএমপির অধীন কোনো স্থানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ হলে স্বয়ংক্রিভাবে তা বাহিনীর জাতীয় ফায়ারআর্মস ট্রেসিং সেন্টারে চলে যাবে। কেবল আরসিএমপি নয়, সমগ্র দেশে পুলিশের তদন্তে জব্দ হওয়া অপরাধে ব্যবহৃত সব আগ্নেয়াস্ত্র যাতে ট্রেসিংয়ে জমা হয় সরকারের প্রতি সেই দাবি জানিয়েছে হাউজ অব কমন্স পাবলিক সেফটি কমিটি এবং কানাডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব চিফস অব পুলিশ। সাম্প্রতিক উপাত্ত বলছে, প্রতি বছর অপরাধে ব্যবহুত হাজারো আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হলেও এর সামান্যেরই উৎস জানা যায়।

- Advertisement -

পাবলিক সেফটি কমিটির এপ্রিলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস অনুসন্ধানে ট্রেসিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। আরসিএমপির জাতীয় ট্রেসিং সেন্টার আগ্নেয়াস্ত্রের উৎপাদন বা কানাডায় আমদানি, পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের হাতে পৌঁছানো এবং সর্বশেষ বৈধ মালিক বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে তা পৌঁছানো পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের গতিবিধির ওপর নজর রাখে। এজন্য সেন্টার ফায়ারআর্মস অ্যানালিসিস ট্রেসিং এবং এনফোর্সমেন্ট প্রোগ্রাম ইন অন্টারিওর সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করে থাকে।

কোনো আগ্নেয়াস্ত্র কানাডায় অবৈধভাবে এসেছে নাকি অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এসেছে তাও বলে দেয় ট্রেসিং। আগ্নেয়াস্ত্রের গতিবিধির ওপর নজর রাখার ক্ষেত্রে আরসিএমপির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অটোয়া ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে শুরু করে আগামী পাঁচ বছরের জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার বরাদ্দ রেখেছে। সেই সঙ্গে ৩৩ লাখ ডলারের তহবিল এরই মধ্যে দেওয়া হয়েছে।

সেন্টার ২০২০ সালে ২ হাজার ১৪০টির বেশি আগ্নেয়াস্ত্রের গতিবিধি সনাক্ত করেছে। নতুন তহবিল সনাক্ত তিনগুন বাড়াবে বলে কমন্স কমিটিকে বলা হয়েছে।

This article was written by Sohely Ahmed Sweety as part of the LJI.

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles