12.9 C
Toronto
বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২

বমির দাম কোটি টাকা

- Advertisement -

‘বমি’ শব্দটি শোনামাত্র অনেকের গা গুলিয়ে ওঠে। অনেকে যাত্রাপথে এই বিড়ম্বনা এড়াতে প্রস্তুতি নিয়ে তারপর ঘর থেকে বের হন। ভাবছেন এমন একটা এড়িয়ে যাওয়ার বিষয় এতোটা গুরুত্ব পায় কি করে? তার দাম আবার কোটি টাকা!

এই বমি অবশ্য মানুষের নয়। সমুদ্রের রাজা তিমি মাছের বমির দাম কোটি টাকার সমান।

সমুদ্রে যে কয়েক ধরনের তিমি পাওয়া যায়, তার মধ্যে সবচেয়ে বিরল প্রজাতির হলো স্পার্ম তিমি। এই মাছের বমিকে বলা হয় ‘অ্যাম্বারগ্রিস’। এই অ্যাম্বারগ্রিসের দাম প্রতি কেজি কোটি টাকার ওপরে। স্পার্ম তিমির অন্ত্রে তৈরি মোমের মতো এই পদার্থ মাছটি উগড়ে দিলে সাগরের পানিতে ভাসতে থাকে। ভাসতে ভাসতে উপকূলে চলে আসে। এজন্য একে ‘floating gold’ বা ভাসমান সোনা বলা হয়। ‘সমুদ্রের ধন’ নামেও পরিচিত এটি।

‘অ্যাম্বারগ্রিস’ শব্দটি অ্যাম্বর ও গ্রিস শব্দের সমন্বয়ে গঠিত একটি শব্দ। প্রাচীন ফরাসি শব্দ ‘অ্যাম্বের গ্রিস’ বা ‘ধূসর অ্যাম্বার’ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে শব্দটি। এর উৎস বহুকাল থেকে খুঁজে আসছে মানুষ। অতীতে অনেকেই মনে করতেন সাগরের ঢেউয়ের যে ফেনা থাকে তা জমে এটি তৈরি হয়। আবার অনেকের মতে
সমুদ্রে বিচরণকারী পাখি মরে গেলে তাদের মৃতদেহ লবণপানিতে ভাসতে ভাসতে এমন হয়। তবে এসব ধারণা ভুল প্রমাণ করে ১৮০০ সালের দিকে আবিষ্কৃত হয় যে, স্পার্ম হোয়েল নামক এক ধরনের তিমি মাছের বমি থেকেই তৈরি হয় অ্যাম্বারগ্রিস।

বিখ্যাত তিমি বিশেষজ্ঞ ক্রিসটোফার কেম্প তার বই ‘Floating Gold: A Natural (and Unnatural) History of Ambergris’-এ বলেন, অ্যাম্বারগ্রিস শুধু স্পার্ম তিমিদের দ্বারা উৎপন্ন হয় এবং তাদের মধ্যে মাত্র ১ শতাংশ এটি উৎপাদন করে।

আরও পড়ুন :: গর্ভবতী বান্ধবীকে ১০০ বার ছুরিকাঘাত, পেট কেটে সন্তান চুরি!

‘বমি’ শব্দটি শোনামাত্র অনেকের গা গুলিয়ে ওঠে। অনেকে যাত্রাপথে এই বিড়ম্বনা এড়াতে প্রস্তুতি নিয়ে তারপর ঘর থেকে বের হন। ভাবছেন এমন একটা এড়িয়ে যাওয়ার বিষয় এতোটা গুরুত্ব পায় কি করে? তার দাম আবার কোটি টাকা!

এই বমি অবশ্য মানুষের নয়। সমুদ্রের রাজা তিমি মাছের বমির দাম কোটি টাকার সমান।

সমুদ্রে যে কয়েক ধরনের তিমি পাওয়া যায়, তার মধ্যে সবচেয়ে বিরল প্রজাতির হলো স্পার্ম তিমি। এই মাছের বমিকে বলা হয় ‘অ্যাম্বারগ্রিস’। এই অ্যাম্বারগ্রিসের দাম প্রতি কেজি কোটি টাকার ওপরে। স্পার্ম তিমির অন্ত্রে তৈরি মোমের মতো এই পদার্থ মাছটি উগড়ে দিলে সাগরের পানিতে ভাসতে থাকে। ভাসতে ভাসতে উপকূলে চলে আসে। এজন্য একে ‘floating gold’ বা ভাসমান সোনা বলা হয়। ‘সমুদ্রের ধন’ নামেও পরিচিত এটি।

‘অ্যাম্বারগ্রিস’ শব্দটি অ্যাম্বর ও গ্রিস শব্দের সমন্বয়ে গঠিত একটি শব্দ। প্রাচীন ফরাসি শব্দ ‘অ্যাম্বের গ্রিস’ বা ‘ধূসর অ্যাম্বার’ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে শব্দটি। এর উৎস বহুকাল থেকে খুঁজে আসছে মানুষ। অতীতে অনেকেই মনে করতেন সাগরের ঢেউয়ের যে ফেনা থাকে তা জমে এটি তৈরি হয়। আবার অনেকের মতে সমুদ্রে বিচরণকারী পাখি মরে গেলে তাদের মৃতদেহ লবণপানিতে ভাসতে ভাসতে এমন হয়। তবে এসব ধারণা ভুল প্রমাণ করে ১৮০০ সালের দিকে আবিষ্কৃত হয় যে, স্পার্ম হোয়েল নামক এক ধরনের তিমি মাছের বমি থেকেই তৈরি হয় অ্যাম্বারগ্রিস।

বিখ্যাত তিমি বিশেষজ্ঞ ক্রিসটোফার কেম্প তার বই ‘Floating Gold: A Natural (and Unnatural) History of Ambergris’-এ বলেন, অ্যাম্বারগ্রিস শুধু স্পার্ম তিমিদের দ্বারা উৎপন্ন হয় এবং তাদের মধ্যে মাত্র ১ শতাংশ এটি উৎপাদন করে।

Related Articles

Latest Articles