12.7 C
Toronto
বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২

হারের কারণ খুঁজে পেয়েছেন সাকিব

- Advertisement -
ছবি সংগৃহীত

নাভীন-উল-হককে পঞ্চম ওভারে পর পর দুটি বাউন্ডারি মারেন সাকিব। তার ওই দুই চারে মনে হয়েছিল শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। টি-২০ ক্যারিয়ারে নিজের শততম টি-২০ ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখবেন সাকিব। কিন্তু সে রকম কিছুই হয় নি। বরং পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মুজিব-উর-রেহমানের ফ্লুটারে লাইন মিস করে বোল্ড হন সাকিব। ফলে ক্যারিয়ারের শততম টি-২০ ম্যাচে ৯ রানের বেশি করতে পারেননি। শুধু সাকিব নন, মুজিবের বোলিং বৈচিত্র্যে নাভিশ্বাস উঠেছিল দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও এনামুল হক বিজয়ের। দুই ওপেনার সাজঘরে ফিরেন মুজিবের বলে। ৭ ওভারে উপরের সারির চার ব্যাটারের বিদায়ে স্পষ্ট হয়েছে, উইকেটের আচরণ ছিল ধীরগতির। থেমে আসা বলে উইকেটে স্ট্রোক ছিল খেলা ভীষণ কঠিন।

আফগান দুই স্পিনার মুজিব ও রশিদের ঘূর্ণির বিপক্ষে একাই লড়াই করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। সঙ্গী ছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মাহমুদুল্লাহ ২৫ রান করেন। মোসাদ্দেক অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে। একাই লড়াই করেন তিনি। ৩১ বলের ইনিংসটিতে ৪টি চার ছাড়াও ছিল একটি ছক্কার মার। শেষ দিকে তার ব্যাটিং দৃঢ়তায়ই বাংলাদেশ লড়াকু স্কোর করে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। বাংলাদেশের ১২৭ রানের জবাবে ১৩১ রান করে জয় তুলে আফগানরা।

সাকিবের মতে ২৮ রানে ৪ উইকেট হারানোয় ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। এনিয়ে সাকিব ম্যাচ শেষে বলেন, ‘আসলে শুরুর দিকে আমরা দ্রুত উইকেট হারিয়েছি। আপনি যদি ৭ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে বসেন তাহলে ঘুরে দাঁড়ানো মুশকিল। বোলিংয়ে আমরা ভালো করেছি। শুরুর থেকে ১৪-১৫ ওভার পর্যন্ত আমরা ম্যাচে ছিলাম। আমরা জানতাম নাজিবউল্লাহ ভয়ঙ্কর ব্যাটার। ভেবেছিলাম ম্যাচ আমাদের হাতেই আছে কিন্তু ৬ ওভারে ৬০ সে নিয়ে ফেলেছে। তাকে কৃতিত্ব দিতেই হয়।’

দলের সবাই যখন ব্যর্থ ব্যাট হাতে তখন একাই লড়ে গেছেন মোসাদ্দেক। রশিদ-মুজিবদের বিপক্ষে ব্যাট হাতে খেলেছেন টি-টোয়েন্টি সুলভ এক ইনিংস। তাইতো ম্যাচ হারলেও পাচ্ছেন অধিনায়কের বাহবা। এটাও মানছেন আরো কিছু রান দরকার ছিল ম্যাচ জয়ের জন্য।

সাকিব বলছিলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ম্যাচে একজন ব্যাটারকে শেষ পর্যন্ত থাকতে হয়। মোসাদ্দেক সেটা করেছে, ভালো খেলেছে। কিন্তু ম্যাচ জেতার জন্য আমাদের আরও অনেক কিছু দরকার ছিল, যেটা হয়নি।’

Related Articles

Latest Articles