4.9 C
Toronto
মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৬, ২০২১

পর্যায়ক্রমে বিধিনিষেধ শিথিল করা হবে

গত শনিবার থেকে সাস্কেচুয়ান রিওপেনিং পরিকল্পনার প্রথম ধাপে প্রবেশ করেছে। ২৮ নভেম্বরের পর প্রদেশটিতে সর্বনিম্ন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কুইবেকেও রোববার সংক্রমণ ৩১৫ জনে নেমে আসে এবং প্রদেশের পৃথক আটটি অঞ্চলের বিধিনিষেধ সোমবার শিথিল করা হয়েছে। প্রদেশগুলো বিধিনিষেধ শিথিল করতে শুরু করলেও তা পর্যায়ক্রমে হতে হবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন কানাডার প্রধান জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তেরেসা ট্যাম। তিনি বলেন, আপনার এলাকার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে বিধিনিষেধ প্রত্যহার হলেও স্থানীয় জনস্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি ব্যক্তিগত সুরক্ষা চর্চা যেমন শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরা অব্যাহত রাখতে হবে। আপনি ভ্যাকসিন নিয়েছেন কি নেননি সেটা এক্ষেত্রে বিবেচ্য নয়।

তবে কোডিড-১৯ এ আক্রান্ত ও মৃত্যু কমে এলেও অধিকাংশ কানাডিয়ানের মধ্যে অফিসে ফেরার ব্যাপারে তাড়া নেই। লেজার অ্যান্ড দ্য অ্যাসোসিয়েশন ফর কানাডিয়ান স্টাডিজের সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ৮২ শতাংশ কানাডিয়ানের কাছেই মহামারির সময় বাড়িতে বসে কাজ করার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত অথবা মোটামুটি ইতিবাচক। অন্যদিকে মাত্র ২০ শতাংশ কানাডিয়ান আছেন যারা প্রতিদিনই অফিসে গিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। আর বাড়িতে বসে কাজ করাকে খুবই বা মোটামুটি নেতিবাচক হিসেবে দেখছেন সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৭ শতাংশ কানাডিয়ান।

সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৬০ শতাংশ কানাডিয়ানের ভাষ্য হলো তারা খন্ডকালীন অথবা মাঝেমধ্যে অফিসে যেতে চান। তবে ১৯ শতাংশ একদমই অফিসে ফিরতে চান না। বাড়িতে বসে কাজ করার প্রতি এই আাগ্রহের কারণ মূলত তিনটি- স্বাচ্ছন্দ, অর্থ সাশ্রয় ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি।

উর্ধ্বতনরা অফিসে ফেরার নির্দেশ দিলে কী করবেন? এই প্রশ্নে সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৩৫ শতাংশের উত্তর, বাড়িতে বসে কাজের সুযোগ আছে এমন কোনো চাকরির খোঁজ করব।

২১ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত অনলাইনে ১ হাজার ৬৪৭ জন কানাডিয়ান ও ১ হাজার ২ জন মার্কিন নাগরিকের ওপর সমীক্ষাটি পরিচালনা করে লেজার। এমন সময় সমীক্ষাটি চালানো হয়েছে যখন নতুন সংক্রমণ ও হাসপাতালে ভর্তি কমে আসায় প্রদেশগুলো বিধিনিষেধ শিথিল করতে শুরু করেছে।

- Advertisement - Visit the MDN site

Related Articles

- Advertisement - Visit the MDN site

Latest Articles