15.7 C
Toronto
শুক্রবার, আগস্ট ১২, ২০২২

মাঙ্কিপক্স কেসের সংখ্যা এখন তিনগুণ

- Advertisement -
গত ২২ জুন থেকে ৩৩ বছর বা তার উর্ধ্বের মাঙ্কিপক্স রোগীর সংখ্যা ১০১ এবং টরন্টোতে ৮৫ জন আক্রান্ত হয়েছে

ওন্টারিওতে গত দুই সপ্তাহে ল্যাব কনফার্মড মাঙ্কিপক্স কেসের সংখ্যা তিনগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী এই ইনফেকশনের উপর নজরদারী এবং টেস্টিং এর উপর জোর দেয়ার কথা বলছে।

ওন্টারিওর গণস্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা বলছে যে, গত ২২ জুন থেকে ৩৩ বছর বা তার উর্ধ্বের মাঙ্কিপক্স রোগীর সংখ্যা ১০১ এবং টরন্টোতে ৮৫ জন আক্রান্ত হয়েছে এবং তাদের প্রত্যেকেই পুরুষ।

অবশিষ্ট কেসগুলো যথাক্রমে ওটাওয়া (৪ জন), হ্যাল্টন (২ জন), মিডল-সেক্স লন্ডন (২ জন) এবং হ্যামিল্টন, ডারহাম এবং সিমকো-

মাসকোকা সহ গণস্বাস্থ্যের আরো আটটি ইউনিটে ছড়িয়ে পড়েছে এবং প্রত্যেকটিতেই কমপক্ষে একটি করে এই বিষয়ক কেস রয়েছে।
এছাড়াও প্রদেশে আরো আটটি সম্ভাব্য কেস রয়েছে, যেগুলোর বিষয়ে তদারকি চলছে।
মঙ্গলবার ওন্টারিওর গণস্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে তারা প্রদেশে ৫৯০ জনের উপর মাঙ্কিপক্সের টেস্ট করেছে। যার মানে হচ্ছে প্রতি ছয়টি টেস্টের একজন পজিটিভ হিসেবে ধরা পড়ছে।

যেখানে প্রত্যেকের মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হওয়া এবং ছড়ানোর সম্ভাবনা আছে, সেখানে ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকায় গে, বাইসেক্সুয়াল এবং যারা পুরুষে পুরুষে যৌনকর্ম করেন, তাদের মধ্যে এই রোগ প্রবল।

ফেডারেল গাইডলাইনে উদ্ধৃত আছে যে আক্রান্ত হওয়ার চারদিনের ভিতর যদি স্মলপক্সের ভ্যাকসিন দেয়া হয়, তবে সেটা ভালো কাজ করে। তাছাড়াও আক্রান্ত হওয়ার পর চৌদ্দদিনের ভেতরেও যদি কেউ সেই ভ্যাকসিন দেয় তবেও সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা আছে।
মাঙ্কিপক্স সাধারণত মানুষের নিঃশ্বাস, কাঁশি, হাঁচি এবং যারা আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে খুব কাছাকাছি ঘেঁষে কথাবার্তা বলে তাদের মাধ্যমে ছড়ায়।

এছাড়াও এটি মানুষের সাথে শারীরিক সংস্পর্শে যেমন- চুলকানি অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির জামা-কাপড়, বিছানার চাদর কেউ ব্যবহার করলে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি থেকে যায়।

আক্রান্ত হবার ৫-২১ দিনের ভিতর উক্ত রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
ওন্টারিওর গণস্বাস্থ্য বলছে যে সবচাইতে কমন যে লক্ষণ সেটি হল চুলকানি (৭৬.২ শতাংশ), জ্বর (৫৬.৪ শতাংশ), নাক ফুলে যাওয়া (৫৪.৫ শতাংশ) এবং মুখে ঘা হওয়া (৫১ শতাংশ)।
চলমান গবেষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে যতই বিশ্বব্যাপী মাঙ্কিপক্স টেস্ট বাড়ানো হোক না কেন, তবুও সার্স-কোভ-২ এর মতই অনেকগুলো কেস মিস হয়ে যাবে।

বেলজিয়ামের একটি রিভিউ থেকে জানা যায় যে মঙ্গলবার ২২৪ জনের ভেতর তিনজনের রেজাল্ট পজিটিভ পাওয়া যায়, অথচ তাদের মধ্যে কোনো লক্ষণই ছিল না।

‘সম্ভাবনা প্রবল যে বিশ্বব্যাপী এই রোগের বৃদ্ধিতে পূর্বের বাহকগুলো বেশ দৃঢ় ভূমিকা রাখছে’, স্টাডির লেখক জানান।
জুনের পর ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (WHO) জানায় যে সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী ৩,৪১৩ টি নিশ্চিত ঘটনা সম্পর্কে অবহিত আছে।
কানাডার গণস্বাস্থ্য জানিয়েছে যে, কিউবেকের ২১১টি কেস সহ সংস্থাটি দেশব্যাপী ৩০০টি কেস সম্পর্কে অবহিত রয়েছে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles