13.1 C
Toronto
মঙ্গলবার, মে ২৪, ২০২২

প্রথম স্ট্রোকের ১০ বছরের মধ্যেই মৃত্যু!

- Advertisement -
প্রথম স্ট্রোকের ১০ বছরের মধ্যেই মৃত্যু! - The Bengali Times
ছবি: সংগৃহীত

দিন দিন স্ট্রোক করা রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ হলো স্ট্রোক। এমন সংকটাপন্ন অবস্থায় অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষা বলছে, প্রথমবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ১০ বছরের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন দুই-তৃতীয়াংশ রোগী।

মস্তিষ্কে যখন রক্ত সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় অথবা কোনো কারণে রক্তক্ষরণ শুরু হয়, তখন সেই পরিস্থিতিকে চিকিৎসা শাস্ত্রে বলা হচ্ছে স্ট্রোক। সাধারণত অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইলই স্ট্রোকের দিকে মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত।

- Advertisement -

বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবার প্রধান ভরসা কেন্দ্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেই কোনো স্ট্রোক রোগীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা বা আলাদা ইউনিট। এমন পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই গবেষণার তথ্য অনেকটাই সাধারণ জনগণের কাছে উদ্বেগের বিষয়।

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সমীক্ষার তথ্যানুযায়ী, প্রথমবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর মৃত্যুকে জয় করতে পারলেও ১০ বছরের মধ্যেই বেশির ভাগ রোগী মারা যান।

সমীক্ষাটি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের প্রায় ৩ লাখ ১৩ হাজার রোগীর চিকিৎসার তথ্য খতিয়ে দেখার পর এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছান গবেষকরা।

এ সমীক্ষায় বিশেষজ্ঞরা আরও লক্ষ করেন, প্রতি ৫ জন রোগীর ১ জন ৫ বছরের মধ্যেই দ্বিতীয়বার স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। আর ১০ বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা এ ক্ষেত্রে শতকরা ২৭ ভাগ।

স্ট্রোকে আক্রান্ত মোট রোগীর অর্ধেকেরও বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ইসকেমিক স্ট্রোকে। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিতে রক্ত চলাচলের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে এ ধরনের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে মত গবেষকদের।

সমীক্ষাটি থেকে আরও জানতে পারা যায়, প্রথম স্ট্রোকের ১০ বছরের মধ্যে নারীদের মৃত্যুহার পুরুষের তুলনায় বেশি।

গবেষকরা এর কারণ খুঁজতে শুরু করলে তারা জানতে পারেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অসময়ে প্রাণ হারাচ্ছেন রোগীরা। তাই গবেষকরা মনে করছেন, প্রথমবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হলেই জটিলতা এড়াতে নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা উচিত রোগীর।

এ ছাড়া খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না আনার কারণেও এই বিপর্যয় ঘটছে বলে দাবি গবেষকদের। তবে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, থ্রম্বোলাইসিস ও এন্ডোভাসকুলার চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে অনেকটাই কমানো যায় এ ঝুঁকি।

 

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles