15.3 C
Toronto
রবিবার, মে ২২, ২০২২

অফিস কক্ষে জাবির সাবেক ভিসির ছেলের মদ খাওয়ার ছবি ভাইরাল

- Advertisement -

অফিস কক্ষে জাবির সাবেক ভিসির ছেলের মদ খাওয়ার ছবি ভাইরাল - The Bengali Times

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলামের ছেলে প্রতীক হাসানের হাতে বিদেশি ব্রান্ডের মদের বোতলের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে তোলপাড় চলছে ক্যাম্পাসে। সামাজিক মাধ্যমে ছবিটি ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা এ নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলছেন। এই অপকর্মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেছেন।

- Advertisement -

ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, অফিস কক্ষের মেঝেতে বিদেশি ব্রান্ডের মদের বোতল হাতে দাঁড়িয়ে এক তরুণ। আর তিনি আরও কেউ নন স্বয়ং জাবির সাবেক আলোচিত ভিসি ফারজানা ইসলামের একমাত্র পুত্র প্রতীক হাসান।

এমন ছবি ভাইরাল হওয়ার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ এলাকায় সাবেক ভিসিপুত্র প্রতীকের মদের বোতলসহ ছবির পোস্টার দেখা যায়। ‘জাহাঙ্গীরনগর পরিবারের’ ব্যানারে এ পোস্টারে ভিসিসহ তার স্বামী ও পুত্রকে দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে তাদের বিচার চাওয়া হয়েছে।

পোস্টারে একটি ছবির ক্যাপশনে লেখা আছে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলামের দুর্নীতির টাকায় উপাচার্য ভবন হয়ে ওঠে অপসংস্কৃতি, লাম্পট্য ও মাদকাসক্তির কেন্দ্র’। অপর একটি মদ্যপ ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লেখা আছে- ‘নিয়োগ ও উন্নয়ন প্রকল্পের কমিশন বাণিজ্যের হোতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় অবৈধ হস্তক্ষেপকারী ফারজানাপুত্র প্রতিক, স্বামী আখতারসহ ফারজানা ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

এর আগে জাবির সাবেক শিক্ষার্থী ও জাবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি হামজা রহমান অন্তর তার পেজে ছবিটি শেয়ার দিয়ে লেখেন, ‘এই পরিবারটা (ভিসি ফারজানা) এতই বেপরোয়া ও দানব হয়েছে যে, জাতির পিতা ও নেত্রীর ছবির সামনেও এসব (মদপান) করার সাহস পায়!’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাবেক ভিসির স্বামী আখতার হোসেনের কাছে প্রায়ই এমন মদের বোতল সরবরাহ করা হয়। এর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ-সালাম বরকত হলের প্রভোস্টসহ অনেকেই জড়িত আছেন। এসব বিষয়ে জানতে সাবেক ভিসি ফারজানা ইসলাম ও তার পুত্র প্রতীক হাসানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।’

অপরদিকে সাবেক ভিসির স্বামী আখতার হোসেন ফোন রিসিভের পরে সাংবাদিক পরিচয় শুনে তার নিজের পরিচয় অস্বীকার করেন। পরে ফোন রেখে দেন।

মদ সরবরাহ করার বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক আলী আজম বলেন, এইসব অভিযোগ মিথ্যা। যারা এসব অভিযোগ করেছে তাদের কাছে কোনো প্রমাণ নেই।

সূত্র : ঢাকাটাইমস

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles