8.2 C
Toronto
বুধবার, মে ১৮, ২০২২

আগুন দিয়ে পোড়ানো হল প্রেমিকার লাশ

- Advertisement -
আগুন দিয়ে পোড়ানো হল প্রেমিকার লাশ - The Bengali Times
প্রতীকী ছবি

প্রেমিকা হাসিনা আকতার সুমি বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে তাকে খুনের পরিকল্পনা করে মাদকাসক্ত মাহিবুর কামাল। পরিকল্পনা মত প্রেমিকাকে নিয়ে আসেন রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার বিএফআইডিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত টয়লেটের পাশে। পরিকল্পনা মত এনে ইট দিয়ে একে একে ১৫ বার আঘাত করে থেঁতলে দেয়া হয় সুমির মাথা। খুনের পর প্রেমিকার লাশের পাশে বসেই করেন গাঁজা সেবন। পরে গাঁজার আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয় প্রেমিকার শরীর। লাশটি অর্থ পোড়া হওয়ার পর পালিয়ে যান মাহিবুর।

র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর এভাবে প্রেমিকাকে খুনের লৌমহর্ষক বর্ণনা দিলেন মাহিবুল। এরআগে শনিবার নেত্রকোনা থেকে মাহিবুরকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

- Advertisement -

গত ১১ মার্চ রাতে কাপ্তাইয়ের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত টয়লেট সুমিকে খুন করে মাহিবুর। পরদিন তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। খুনের পর পরই কাপ্তাই থেকে পালিয়ে নেত্রকোণায় আত্মগোপন চলে যান মাহিবুর। পরে সুমির মোবাইল কলের সুত্র ধরে সন্ধান মেলে খুনির।
র‌্যাব-৭ অধিনায়ক লে কর্ণেল এম এ ইউসুফ বলেন- অনৈতিক সম্পর্ক, পারিবারিক অশান্তি, মাদক ব্যবসা এবং মাদকের কারণে সুমি খুন হয়েছে। প্রযুক্তি সাহায্যে খুনীকে চিহ্নিত করার পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খুনের আদ্যপান্ত বর্ণনা দিয়েছেন।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, ১২ বছর আগে দ্বীন ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন সুমি। দ্বীন ইসলাম থাকতেন বান্দরবন এবং হাসিনা থাকতেন কাপ্তাইয়ে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নানান বিষয়ে মনোমানিল্য ছিল। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে পড়েন সুমি। বিষয়টা স্বামী জানতে পেরে খুনের ছয় মাস আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। খুনের এক মাস আগে মাদকাসক্ত মাহিবুরের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সুমি। পরে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকলে মাহিবুর তাকে খুনের পরিকল্পনা করে। পরে তাকে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার বিএফআইডিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত টয়লেটে এনে খুন করে।

সুমির মা আমেন বেগম বলেন, পারিবারিক অশান্তির কারণে সুমি মাদক ব্যবসাসহ অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। মাদক ব্যবসা থেকে ফিরে আসার চেষ্টা করলেও অন্য মাদক ব্যবসায়ীরা তাকে ফিরে আসতে দেয়নি।

 

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles