15.3 C
Toronto
রবিবার, মে ২২, ২০২২

বউ উদ্ধার করে দেয়ায় টাকা চেয়েছিলাম, দাবি জবি ছাত্রলীগকর্মীর

- Advertisement -
বউ উদ্ধার করে দেয়ায় টাকা চেয়েছিলাম, দাবি জবি ছাত্রলীগকর্মীর - The Bengali Times
ছবি সংগৃহীত

পালিয়ে যাওয়া বউ’ উদ্ধার করে দিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রলীগ কর্মী মেহেদীকে একটি নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিতে চেয়েছিলেন একজন বাস মালিক; মৌখিক প্রতিশ্রুতির সেই টাকা না পেয়ে ওই মালিকের একটি বাস আটকে রেখেছিলেন বলে দাবি করেছেন মেহেদী।

তবে বাস মালিকের দাবি, আড়াই লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বাসটি আটকে রাখা হয়েছিল।

- Advertisement -

রামপুরা থেকে মাওয়া রুটে চলাচলকারী বাসটি গত ৬ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুরাণ ঢাকার তাঁতিবাজার এলাকা থেকে এনে জবির গেটের সামনে আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের মধ্যস্থতায় গতকাল সোমবার পুলিশ বাসটি নিয়ে গেছে।

বাস আটকে রাখা জবি ছাত্রলীগ কর্মী মেহেদী বলেন, ওই বাস মালিকের বউ আমার এলাকার এক ছেলের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল। তাকে উদ্ধার করে দিতে পারলে পারলে বিনিময়ে আমাকে আড়াই লাখ টাকা টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আমি তার বউকে কৌশলে এনে দিয়েছিলাম। কিছু দিন পর তার বউ আবার পালিয়ে গেছেন। পরে ওই বাস মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাইনি। আমার কাজের পাওনা টাকার জন্যই বাস আটক করেছিলাম।

মেহেদী বলেন, এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে একই কারণে তার আরও একটি বাস আটকে রেখেছিলাম। তখন তিনি বলেছিলেন, প্রতিশ্রুতির টাকা দ্রুত পরিশোধ করবেন। তাই তখন বাসটি ছেড়ে দেই। কিন্তু তিনি কথা রাখেননি।

মেহেদীর এই দাবি ভিত্তিহীন উল্লেখ করে ওই বাস মালিক বলেন, আমার বউ পালিয়ে গেছে এটি সত্য নয়। আমাদের ৩ সন্তান আছে। আমার বউ আমার সঙ্গেই আছেন। মেহেদীর এসব দাবি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ পাওয়ায় আমি বিব্রত।

তিনি আরও বলেন, মেহেদী আমার কাছে কোনো টাকা পাবেন না।

বাস আটকের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী আমার বাসটি জবির গেটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে মেহেদী নামের একজন কল দিয়ে আমার কাছে আড়াই লাখ টাকা দাবি করেন। আমাকে তিনি বলেন, টাকা না দিলে বাস ছাড়া হবে না।

বাস উদ্ধারের জন্য ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে নিজের লোক পাঠিয়েছিলেন দাবি করে ওই বাস মালিক বলেন, ‘পুলিশের সামনেই তারা আমার লোকদের তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বাসটি তখন আনতে দেননি।’

জবির প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে বাসস্ট্যান্ড। সব সময় এখানে বাস দাঁড়ানো থাকে। কোন বাস কী কারণে রাখা আছে তা জানতাম না। পরবর্তীতে বিষয়টি জানার পর পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এসে বাসটি নিয়ে গেছে।’

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি জোনের এডিসি মুহিব কবির সেরনিয়াবাত বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার তেমন কিছু জানা নাই। কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles