12.5 C
Toronto
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২

জায়েদকে বয়কট; সোহানের হাঁটে হাড়ি ভাঙলেন পীরজাদা হারুন

- Advertisement -
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন পীরজাদা শহীদুল হারুন। নির্বাচনের দিন (২৮ জানুয়ারি) চলচ্চিত্রের বাকি সংগঠনগুলোর কোনো সদস্যকে এফডিসিতে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় পীরজাদা শহীদুল হারুনকে চলচ্চিত্র থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেন ১৮ সংগঠনের আহ্বায়ক ও পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান। যদিও এসবে কোনো পাত্তা না দিয়ে সিনেমার শুটিং করেন পীরজাদা শহীদুল হারুন।

এদিকে আজ শনিবার (৫ মার্চ) সকাল ১১টায় পরিচালক সমিতিতে এক মিটিংয়ের মাধ্যমে জায়েদ খানকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিন সোহানুর রহমান সোহানের স্বাক্ষর করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বয়কটের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিল্পী সমিতির নির্বাচনের দিন চলচ্চিত্রের অন্যান্য সংগঠনগুলোর সদস্যদের এফডিসিতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি (শুধু শিল্পী সমিতির ভোটার ছাড়া)। যা ছিল চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য অশোভন ও অপমানজনক। এ ঘটনার পেছনে শিল্পী সমিতির সদস্য জনাব জায়েদ খানের ভূমিকা প্রমাণিত হওয়ায় সকল সংগঠনের নেতৃবন্দ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, জনাব জায়েদ খানের সঙ্গে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৮ সংগঠনের কোনও সদস্য কোনও কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করিবেন না। আজ (৫ মার্চ) থেকে জায়েদ খানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বয়কট করা হলো। সকল সংগঠনের সম্মিলিত পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

এদিকে সোহানুর রহমান সোহানকে উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন পীরজাদা শহীদুল হারুন। তিনি লিখেছেন, ‘শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ১৭ সংগঠনের কেউ ঢুকবে না মর্মে, এমডির কাছে মি: সোহানের (সোহানুর রহমান সোহান) উপযাচক হয়ে অঙ্গীকার করা ও জায়েদ প্যানেলের ব্যাজ বুকে ধারণ করার কারণ কী?’

সেই পোস্টের কমেন্টে আসাদুজ্জামান সরকার পলাশ নামে একজনকে মেনশন করে পীরজাদা হারুন লিখেছেন, ‘কে ছিলো মূল নাট্যকার তা জনগণের জানার দরকার আছে তো। ভবিষ্যতে সবার উচিত তার কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা।’

অন্যদিকে জাহাঙ্গীর আলম নামে একজনকে মেনশন করে পীরজাদা হারুন লেখেন, ‘জায়েদ খান কেমন শিল্পী বা নায়ক এটা এখানে বিবেচ্য নয়, তার সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা নিপুণের চেয়ে বেশী কিনা এবং বাংলাদেশের সকল জনগণ নয়, শুধুমাত্র ৩৬৫ জন ভোটারের মধ্যে বেশী সংখ্যক ভোটারের সমর্থন সে আদায় করতে পেরেছে কিনা, তা বিবেচ্য বিষয়।’

আরেকটি মন্তব্যে তিনি লিখেছেন, ‘আমি দোষ দেই তাদের, যারা নিজেরা লাভবান হয়ে নিপুণকে এতদিন অযথা নাচিয়েছে। কারণ সোহানরা তো পারে না ২৯ জানুয়ারীর পর কাউকে রেসলিংয়ের রিং এর মতো হাত উঁচু করে জয়ী ঘোষণা করতে। ধিক্কার জানাই ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের ন্যাক্কারজনক অপকর্মের জন্য।’

Related Articles

Latest Articles