
আইপিএলের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মালিক কলানিধি মারানের মেয়ে কাব্য মারানের বিয়ে ঘিরে আলোচনা এখন তুঙ্গে। সংগীতশিল্পী অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের সঙ্গে আগামী ১১ নভেম্বর গ্রিসে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন তিনি। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এই তারকা জুটির বিয়ের ব্যতিক্রমী আমন্ত্রণপত্রের ভিডিও। বাক্সের ভেতরে সাজানো এই নিমন্ত্রণপত্রের নকশা নজর কেড়েছে সবার।
আমন্ত্রণপত্র তৈরির দায়িত্বে থাকা শিল্পী রঞ্জনী আয়েঙ্গারের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, বিশেষ নকশার একটি বাক্সে রাখা হয়েছে বিয়ের কার্ড। সঙ্গে রয়েছে আরও কিছু উপকরণ। তবে বাক্সের ভেতরে কী কী রয়েছে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। রহস্য ঘেরা এই আয়োজন নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে আলোচনা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমন্ত্রণপত্র তৈরির নেপথ্যের গল্প জানিয়েছেন রঞ্জনী। তাঁর ভাষ্য, কার্ডের নকশা নিয়ে কাব্য নিজেও বেশ আগ্রহী ছিলেন। চেয়েছিলেন এমন কিছু তৈরি করতে, যা হবে অভিজাত, মার্জিত এবং সময়ের সঙ্গে যার আবেদন হারাবে না। অতিথিরা যেন বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরও স্মারক হিসেবে কার্ডটি যত্ন করে রেখে দেন, সেটিই ছিল মূল ভাবনা।
সাধারণত বিয়ের আমন্ত্রণপত্রে বর-কনের ছবি, ব্যক্তিগত মুহূর্ত কিংবা সম্পর্কের নানা স্মৃতি তুলে ধরা হয়। তবে কাব্য ও অনিরুদ্ধ সেই পথে হাঁটেননি। তাঁদের চাওয়া ছিল, অতিরিক্ত সাজসজ্জা নয়, বরং শৈল্পিক নকশাই হয়ে উঠুক আমন্ত্রণপত্রের প্রধান আকর্ষণ।
সে অনুযায়ী আইভরি, পাউডার নীল ও রুপোলি—মাত্র তিনটি রঙের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে পুরো নকশা। রঞ্জনীর মতে, সীমিত রঙ ব্যবহার করেও নকশাটিকে আকর্ষণীয় ও ব্যক্তিত্বপূর্ণ করে তোলাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
আমন্ত্রণপত্রের বাক্সের ভেতরে থাকা উপকরণ সম্পর্কে অবশ্য মুখ খোলেননি এই শিল্পী। ফলে বিয়ের কার্ডের পাশাপাশি বাক্সের ভেতরের চমক নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
এদিকে বিয়ের মৌসুমে আমন্ত্রণপত্রের নকশায় নতুনত্ব আনতে ধাতু, কাঠ, ছাঁচে তৈরি উপকরণ ও প্লাস্টার অব প্যারিসের মতো উপাদান ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে বলেও মনে করছেন রঞ্জনী।

