
কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ঘটনাস্থলের অন্তত চার থেকে পাঁচটি ধানক্ষেতে দৌড়াদৌড়ি ও ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, প্রাণ বাঁচাতে হত্যাকারীদের হাত থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল ১৪ বছর বয়সী তাজমিন।
বৃহস্পতিবার জগতপুর এলাকার ফসলি জমিতে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলের একটি ধানক্ষেতে পড়ে ছিল একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। এর কিছু দূরে পাওয়া যায় একটি ভ্যানিটি ব্যাগ। আশপাশের ধানক্ষেতে ধানগাছ এলোমেলো হয়ে ছিল, যা দেখে স্থানীয়রা দৌড়াদৌড়ি ও ধস্তাধস্তির আলামত দেখতে পান।
পুলিশ জানায়, তাজমিনের গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ জানান, ঘটনাস্থল থেকে সিএনজিটি জব্দ করা হয়েছে। এটি নিবন্ধিত হওয়ায় এর সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক ইউনিট কাজ করছে।
তাজমিন কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা আব্দুল আলিম লালমাই থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে যশোরের ছাতিয়ানতলায় পারিবারিক কবরস্থানে তাজমিনকে দাফন করা হবে।

