
আমাদের প্রতিটি ক্ষেত্রে শত শত খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব পাওয়া যাবে। কিন্তু জাদুশিল্পে হাতের কনিষ্ঠ আঙুলের কড়া পূর্ণ করার মতো শীর্ষস্থানীয় জাদুশিল্পী দূরবীন বা মাইক্রোস্কোপ দিয়েও পাওয়া যাবে না। সেই সঙ্গে আরও গর্বের এবং গৌরবের ব্যাপার- তিনি আমাদের ইতিহাসের অংশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা রণাঙ্গনের গৌরাঙ্গলাল আইচ, অর্থাৎ জুয়েল আইচ।
এত বিশেষণের পরেও বলব, তিনি ভালো মানুষ নন। তাঁর স্ত্রী আইচ বিপাশা, ওরফে পাশা খসনু, আমাদের বোনটিকে একাধিকবার কেটে টুকরো টুকরো ফেলেছেন! কী ভয়াবহ, কী ভয়ঙ্কর! আমি তাঁকে বোন হিসেবেই মানি। কারণ, তাঁর মেজো ভাই, ‘বাংলা শব্দ বর্ণ বানান’ গ্রন্থের লেখক-অনুবাদক হোসাইন রিদওয়ান আলী খান আমার বন্ধু। তাদের সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক।
এই দম্পতি আমাদের শহরে ফোবানায় এসেছিলেন তিন দিনের সফরে। তাঁদের সঙ্গে প্রথম দফায় আড্ডা হলো হোটেল ডন ভ্যালিতে। আজ তাঁরা চলে গেছেন। যাওয়ার আগে গতকাল সন্ধ্যায় শান দে’র বাসায় ঘরোয়া পরিবেশে চমৎকার আড্ডা, গান, গল্প, খানাপিনা। মন ভরে গেলো তানভীর আলম সজীবের গানে।
আর মূল আকর্ষণ- জাদুসম্রাট জুয়েল আইচের বাঁশি আর তাঁর মায়াবী হাতের নানা পদের জাদুবিদ্যার অলৌকিক শক্তির মন্ত্রমুগ্ধতা!

