
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার এক সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিবি জানায়, একটি চক্র অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভিডিও ও ছবি তৈরি করে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট টেলিগ্রাম গ্রুপ বা চ্যানেলে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করছিল। আর্থিক লেনদেনে বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহার করা হতো।
প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের ভিত্তিতে গত ১১ আগস্ট রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সুমাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা এলাকা থেকে সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেফতার করা হয় এবং তার কাছ থেকেও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
ডিবির দাবি, জব্দ করা যন্ত্রপাতি বিশ্লেষণে অনলাইনে কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রি ও আর্থিক লেনদেনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে এবং তাদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে। জব্দ করা মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ব্যক্তিগত বা আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও অনুমতি ছাড়া ধারণ, সংরক্ষণ, প্রচার বা বিক্রি না করতে নাগরিকদের সতর্ক করা হয়েছে।

