20 C
Toronto
রবিবার, আগস্ট ১৪, ২০২২

লুকিং ফর শত্রুজ > ওয়েটিং ফর জাস্টিস

- Advertisement -
লুকিং ফর শত্রুজ

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময়কার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাবরের কথা মনে আছে? বদমাশটা সব জানতো। তার নেতৃত্বেই সেদিন পুলিশ ও গোয়েন্দাসংস্থার প্রধানরা হাওয়াভবনের চাকর-বাকরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলো। ঘটনাস্থল থেকে আর্জেসগ্রেনেড নিক্ষেপকারীসহ স্নাইপারদের নিরাপদে পালিয়ে যাবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছিলো ওরাই।

আমরা স্মরণে আনতে পারি–হামলার পর পর অকুস্থল থেকে ঘাতকদের নিরাপদ পলায়ন নিশ্চিত করতে পুলিশ সেখানে দফায় দফায় নিক্ষেপ করেছিলো টিয়ারগ্যাস। কাঁদানেগ্যাসের তীব্রতায় ধোঁয়াচ্ছন্ন এলাকা থেকে নিরাপদে খুনীদের সরিয়ে নেয়া হয়েছিলো। এরপর অবিশ্বাস্য দ্রুততায় হত্যাকাণ্ডের সমস্ত ক্লু মুছে ফেলতে পুরো অঞ্চলটাকে ধুয়ে মুছে ঝকঝকে চকচকে করে ফেলেছিলো। কোথাও এক ফোঁটা রক্ত আর অবশিষ্ট থাকেনি।

বিস্ফারিত না হওয়া আর্জেস গ্রেনেডগুলো ধ্বংস করা হয়েছিলো আরো বিস্ময়কর ক্ষীপ্রতায়। তদন্তকে বাঁধাগ্রস্ত করতে যা যা করণীয় তার সবটুকুই করেছিলো সেদিন পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের ‘ঘাতক-দোসর কর্মকর্তারা’।

হত্যাকাণ্ডের সমস্ত এভিডেন্স ওরা নষ্ট করেছিলো নির্ভুল ছক কষে, একের পর এক।

নৃশংশ হত্যাকাণ্ড ও হাসিনাহত্যাপ্রচেষ্টায় জড়িত তখনকার লুকিং ফর শত্রুজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাবর বদমাশটা এখনো জাবর কাটছে জেলখানায়! ঘটনায় জড়িত গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই ডিজিএফআইপ্রধানসহ পুলিশের বড়কর্তারাও বহুদিন ধরে জেলখানার অতিথি হয়ে আইনের লম্বা হাতের অতিরিক্ত লম্বা ছায়ার আদরে এখনো শাস্তি থেকে বহু কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছে। প্রত্যেকটা বদমাশ এখন একেকটা ধর্ম যাজকের গেটআপ নিয়েছে। দেখে মনে হবে জেল থেকে ছাড়া পেলেই ছুট লাগাবে বায়তুল মোকাররমের দিকে। ক্রমশঃ লম্বা হচ্ছে ওদের দাঁড়িগুচ্ছ। কপালে দৃশ্যমান হচ্ছে নামাজীদের নূরানী ব্ল্যাকস্পট।

আদালত বাবারসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে তিন বছর আগে। কিন্তু সেটা কার্যকর হয়নি আজও। ১৯ জনের ১৭ জনই কারাগারের গোস্ত-রুটি খাচ্ছে সরকারি টাকার শ্রাদ্ধ করে।

অটোয়া, কানাডা

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles