‘আত্মহত্যা করো তোমারও নাম হবে, আমারও হবে’
দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক
অ+ অ-প্রিন্ট
নারায়ণগঞ্জে মোবাইল রাখায় মাস্টার্সের ৪০ পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র চার ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর বিক্ষোভ করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া এবং ওই কলেজ শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা। অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক অব্যাহতির কথা জানিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ কর্তৃপক্ষ। খবর সময় টিভি অনলাইন'র।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মঙ্গলবার(১৩ নভেম্বর) দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শুরুর ১০ মিনিট পরেই নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বিভিন্ন হলে ঢুকে ৪০ পরীক্ষার্থীর কাছে মোবাইল থাকায় তাদের খাতা কেড়ে নেন। পরীক্ষার্থীরা বেশ কয়েকবার ক্ষমা চাইলেও তিনি প্রায় চারঘণ্টা খাতা আটকে রাখেন। এমনকি অকথ্য ভাষায় তাদের কটুক্তিও করেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। পরে তারা ওই শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ করেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, ‘এক ছাত্রীকে তিনি আত্মহত্যার প্ররোচণা দেন। তিনি বলেছেন, ‘তুমি বারান্দা থেকে লাফ দেও, তাহলে তোমারও নাম হবে এবং আমারও নাম হবে।’

নারায়ণগঞ্জে সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ বেলা রানী সিংহ বলেন, ‘যদি কারোর কাছে নকল পাওয়া যায়, তাহলে সাথে সাথে সেই ছাত্রকে বহিষ্কার করতে পারে কিন্তু খাতা আটকিয়ে রাখার কোনো নিয়ম নেই।'

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে জানান নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বেদুরা বিনতে হাবিব।

তিনি বলেন, ‘জনাব রফিকুল ইসলামকে কলেজের সব কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব পাবলিক পরীক্ষার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো।’

অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

 

১৪ নভেম্বর, ২০১৮ ২৩:৩৩:১৩