
উত্তরের শান্ত জনপদ ঠাকুরগাঁও হঠাৎই আলোচনায়—তাও আবার এক অদ্ভুত কারণে। জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে যখন সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে, তখন সেই ইস্যুকেই ভিন্ন রঙ দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি।
তার দাবি—পেট্রল-অকটেনের অভাবে নাকি জেলায় বিয়েও বন্ধ হওয়ার পথে!
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, তেল না থাকায় গাড়ি চলছে না, আর গাড়ি না চললে বরযাত্রী যাবে কীভাবে? ফলে অনেক তরুণই নাকি বিয়ের সুযোগ হারাচ্ছেন। তার এই বক্তব্য মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
স্থানীয়দের অনেকেই বিষয়টিকে দেখছেন ‘পাবলিসিটি স্টান্ট’ হিসেবে, আবার কেউ কেউ নিচ্ছেন নিছক হাস্যরস হিসেবে। পোস্টের নিচে নেটিজেনদের মন্তব্যও ছিল বেশ মজার—কেউ বলছেন, “তাহলে কি এবার পানি দিয়ে গাড়ি চালিয়ে বিয়ে করতে হবে?”
তবে হাস্যরসের আড়ালে বাস্তব চিত্র কিন্তু ভিন্ন। জেলায় সত্যিই জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন, আর কালোবাজারে বাড়তি দামে তেল কিনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
এদিকে ঠাকুরগাঁওয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান এমনিতেই বেশ ‘ভাইরাল’ ধাঁচের—কখনো হেলিকপ্টারে বরযাত্রা, কখনো বাইক র্যালি। সেই প্রেক্ষাপটে আশা মনির এই মন্তব্য যেন নতুন করে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।
সব মিলিয়ে, একদিকে বাস্তব সংকট—অন্যদিকে রাজনৈতিক রসিকতা—দুটোর মিশেলে ঠাকুরগাঁও এখন বেশ সরগরম। এখন দেখার বিষয়, তেলের সংকট কাটলে বিয়ের সানাই আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে কিনা, নাকি নতুন কোনো ‘ভাইরাল’ ইস্যু সামনে আসে।

