‘ওরা ছাড়া আর কে-ই বা এভাবে জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখবে?’

‘ওরা ছাড়া আর কে-ই বা এভাবে জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখবে?’ - the Bengali Times
ডা মাহমুদা মিতু ছবি ফেসবুক থেকে নেওয়া

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু বলেছেন, সংসদে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য শুনে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তার ভাষায়, “চোখ বেয়ে অঝোরে পানি ঝরছিল। ওরা ছাড়া আর কে-ই বা এভাবে জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখবে?”

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জুলাই শহীদদের স্মরণে আনা শোকপ্রস্তাব নিয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম–এর বক্তব্যের পর নিজের ফেসবুক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

- Advertisement -

আরেকটি পোস্টে ডা. মিতু বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনের শোকপ্রস্তাবে অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হলেও সেখানে শরীফ ওসমান হাদি, আবরার ফাহাদ এবং ফেলানী খাতুন–এর নাম ছিল না। পরে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করে শোকপ্রস্তাবে তাদের নাম যুক্ত করার প্রস্তাব দেন।

তিনি আরও লেখেন, “আমরা তরুণরা তাদের ভুলিনি, ভুলবও না। ইতিহাসও তাদের ভুলে যাবে না, আর আমরা ভুলে যেতে দেব না।”

সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আজকের দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন। ৫ আগস্ট তথা ৩৬ জুলাই আমি এবং আমার সহযোদ্ধারা ছাত্র–জনতাকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছিলাম। সেদিন আমাদের ভূমিকা ছিল বৈপ্লবিক।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়ে সংসদে কথা বলার সুযোগ পাওয়ার জন্য জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। এ সময় তিনি আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “২৪ মানে শুধু একটি সংখ্যা নয়, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস।” বক্তব্যে তিনি পিলখানা হত্যাকাণ্ড, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, মোদি-বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি শরীফ ওসমান হাদি, আবরার ফাহাদ ও ফেলানী খাতুনের মৃত্যুর ঘটনাও স্মরণ করেন।

এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিশু-কিশোরদের আত্মত্যাগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বক্তব্যের একপর্যায়ে আন্দোলনে শহীদ আনাসের মায়ের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠির অংশ পাঠ করে শোনান নাহিদ ইসলাম।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles