রোগ ন্যাশনাল আরবান পার্ক উন্নয়নে ৯.৪৭ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে ফেডারেল সরকার

রোগ ন্যাশনাল আরবান পার্ক উন্নয়নে ৯.৪৭ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে ফেডারেল সরকার - the Bengali Times
স্কারবোরো ও পিকারিং সীমান্তবর্তী রোগ ন্যাশনাল আরবান পার্কের দক্ষিণ প্রান্তে অবকাঠামোগত ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রায় ৯৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার ব্যয় করা হচ্ছে

স্কারবোরো ও পিকারিং সীমান্তবর্তী রোগ ন্যাশনাল আরবান পার্কের দক্ষিণ প্রান্তে অবকাঠামোগত ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রায় ৯৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার ব্যয় করা হচ্ছে। ফেডারেল সরকারের কর্মকর্তারা সোমবার এক ঘোষণায় এই তথ্য জানান।

ঘোষণায় জানানো হয়, প্রকল্পটির আওতায় পার্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো রোগ বিচ এবং মাস্ট ট্রেইলকে সংযুক্ত করতে ২ দশমিক ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি নতুন ও সর্বসাধারণের জন্য প্রবেশযোগ্য সড়ক নির্মাণ। এই সড়কটি প্রতিবন্ধীসহ সব বয়সী দর্শনার্থীদের চলাচলকে আরও সহজ ও নিরাপদ করে তুলবে।

- Advertisement -

এছাড়া রোগ জলাভূমির প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জলাভূমির পরিবেশ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যেই উঁচু বোর্ডওয়াক ও ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। কর্মকর্তারা জানান, এসব উঁচু কাঠামো জলাভূমিগুলোকে রক্ষা করার পাশাপাশি বিচ ও জলাভূমি এলাকার মধ্যে নিরাপদ ও সুসংযোগ নিশ্চিত করবে।

প্রকল্পের অন্যান্য অংশের মধ্যে রয়েছে একটি নতুন ও স্থায়ী ওয়াশরুম ভবন নির্মাণ, আপার বিচ এলাকার পার্কিং সুবিধার উন্নয়ন, বিচ ও জলাভূমিতে সহজে প্রবেশের জন্য র‌্যাম্পসহ একটি আধুনিক পার্ক প্রবেশপথ তৈরি এবং লোয়ার বিচের পুরোনো পার্কিং লট ভেঙে নতুনভাবে পুনর্নির্মাণ।

ফেডারেল কর্মকর্তারা আরও জানান, পার্কের অন্য একটি স্থানে আলাদা একটি উন্নয়ন প্রকল্পও চলমান রয়েছে। সেখানে দর্শনার্থীদের জন্য একটি নতুন শিক্ষা কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে, যেখানে রোগ ন্যাশনাল আরবান পার্কের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং সংরক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য ও শিক্ষা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, রোগ ন্যাশনাল আরবান পার্কের আয়তন প্রায় ৭৯ বর্গকিলোমিটার। এটি দুই হাজারেরও বেশি প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত। সরকার আশা করছে, এসব উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ আরও জোরদার হবে, তেমনি অন্যদিকে দর্শনার্থীদের জন্য পার্কটি আরও নিরাপদ, শিক্ষামূলক ও উপভোগ্য হয়ে উঠবে।

This article was written by Sohely Ahmed Sweety as part of the LJI.

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles