
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রাক্তন শিক্ষার্থী যখন একটি দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটে নেতৃত্ব দেন, তা নিঃসন্দেহে গৌরবের বিষয়। কিন্তু সেই গৌরব আরও গভীরতর হয়ে ওঠে, যখন তিনি নিজের শিকড়ের টানে, হৃদয়ের টানে, আপনজনদের মাঝে এসে মিশে যান—ভুলে যান পদমর্যাদার দূরত্ব। এমনই এক দৃশ্য ধরা পড়লো গত ২০ জুলাই ২০২৫, টরন্টোর ই. টি. সেটন পার্কে অনুষ্ঠিত “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফোরাম কানাডা” আয়োজিত বার্ষিক পিকনিকে।
সেদিনের উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিলেন টরন্টোস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের মাননীয় কনসাল জেনারেল জনাব মোঃ ফারুক হোসেন—যিনি নিজেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র, আর ছিলেন হাজী মুহসীন হলের আবাসিক।
ফারুক ভাইয়ের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ, হাসিমুখে সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং তাঁর ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ পিকনিকের পুরো আবহকে করে তোলে আরও আপন, আরও প্রাণবান। তিনি ছিলেন শুধু একজন অতিথি নন, ছিলেন আমাদেরই একজন, আমাদের বন্ধুবলয়ের চিরপরিচিত মুখ।
প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবার সেদিন জড়ো হয়েছিলেন টরন্টোর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে, এমনকি কানাডার অন্যান্য শহর থেকেও। দিনভর আয়োজন ছিল গল্প, আড্ডা, আনন্দ, খাওয়া-দাওয়া, শিশুদের খেলাধুলা, গান, স্মৃতিচারণ এবং প্রাণের মিলন। এক কথায়—একটি দিন যা রয়ে যাবে সবার হৃদয়ের অ্যালবামে সোনালি পাতায় লেখা হয়ে।
ফারুক ভাইয়ের উপস্থিতি ছিলো সেই সোনালি পাতায় একটি গর্বময় অধ্যায়। তাঁর প্রতি রইলো অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ—এই আন্তরিক অংশগ্রহণের জন্য।
এই পিকনিক নিঃসন্দেহে “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফোরাম কানাডা”-এর আরেকটি সফল, হৃদয়গ্রাহী এবং ঐক্যবদ্ধ আয়োজন। যারা অংশ নিয়েছেন, তাদের স্মৃতিতে এটি বহুদিন ধরে রয়ে যাবে।

