অমৃতা শের গিল : মাদাার অব সাউথ এশিয়ান মডার্ন আর্টিস্ট

অমৃতা শের গিল : মাদাার অব সাউথ এশিয়ান মডার্ন আর্টিস্ট - the Bengali Times
ঢাকা শহরের ট্রাফিকটাই এমন চাইলেও সময় মত পৌঁছানো সম্ভব হয়ে ওঠেনা

ঢাকা শহরের ট্রাফিকটাই এমন চাইলেও সময় মত পৌঁছানো সম্ভব হয়ে ওঠেনা। ঢাকা আর্ট সামিট চলছে শিল্পকলা একাাডেমি প্রাঙ্গণে। তিনতলা সেমিনার হলে শুরু হবে ভারত থেকে আসা শিল্পী ভিভান সুন্দরমের লেকচার। আমার কনো ভাবে মিস করা যাবে না। অথচ আমি হাজিত হতে দেখি অর্ধেক কথা শেষ।

তবুও যতটুকু পাই তাই অনেক। পৃথিবীর সব বড় শহরে তার প্রদর্শনী হয়েছে। তিনিই প্রথম এস্টোলেশান মাধম্যে কন্সেপ্ট আর্ট শুরু করেন। পেইন্টিং,এচিং প্রিন্ট,ভিডিও এস্টোলেশান কিনা করেন তিনি। শিল্পী ও শিল্প নিয়ে তার লেকচার পৃথিবীর বড় দেশের মিউজিয়াম ও আর্ট সামিট গুলোতে গুরত্বপূর্ণ।

- Advertisement -

আমি কিন্তু শুধু ওনার লেকচার শুনতে আসিনি! আমার কাছে ওনারর প্রতি আর একটি আকর্ষণের কারণ আছে। ব্রিটিশ টাইমের শেষ দিকে অখন্ড ভারতে অমৃতা শের গিলই প্রথম নারী শিল্পী যিনি আধুনিক ছবি এঁকে বিশ্ব খ্যাতি পেয়ে ছিলেন। যাকে আমি মাদার অব সাউথ এশিয়ান আর্টিস্ট মনে করি। ভিভান সুন্দরম হচ্ছন তাঁর ছোট বোন ইন্দিরা শের গিলের পুত্র।এই আকর্ষণটাই আমাকে টেনে এনেছে।সেমিনারে ভিভানের দীর্ঘ কথার মধ্য নানা উমরাও সিং শের গিল ও আন্ট অমৃতা শের গিলের অনেক কিছু জানার থাকে।

উমরাও অমৃতার পিতা শুধু লাহোরের বিরাট মাজিথা এস্টেটের জমিদারই ছিলেন না! ছিলেন ভারত ও তখনকার লন্ডনের নামী ফটোগ্রাফার। অমৃতাকে অবশ্যই হাঙ্গেরীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে হবে। মা আনতোনিত্তে গোটেস্ম্যান এরডোবক্তে ছিলেন হাঙ্গেরীয়ান অভিজাত ঘারানার মেয়ে।

তিনি হাঙ্গেরী থেকে লন্ডন স্কুল অব মিউজিকে পিয়ানো বাদনে উচ্চ শিক্ষা নিতে যান। সেখানেই তার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় ভারতীয় প্রিন্সেস বাম্বার সঙ্গে।বন্ধুর আমন্ত্রণে এরডোবক্তে লাহোর আসেন বেড়াতে। অভিবক্ত ভারতে লাহোর ছিলো তখন রুচিশীল সাংস্কৃতিবানদের কেন্দ্রস্থল। ব্রিটিশ ভারতের যত নামী দামী শিল্পী গায়ক কবি সাহিত্যিক ফটোগ্রাফার লাহোরেই থাকতে পছন্দ কতেন। লাহোরেই ছিলো সুদর্শন উমরাও সিং শের গিল শুধু মাজিথা স্টেটের জমিদারই ছিলেন তা নয় লাহোর ও লন্ডনে তিনি ভালো ফটোগ্রাফার ও কবি হিসেবেও সুনাম ছিলো। লাহোরে যখন প্রিন্সেস বাম্বা ও তার হাঙ্গেরীয়ান বান্ধবীর সঙ্গে উমরাও সিং শের গিল পরিচিত হলেন সবাই ভেবে ছিলো প্রিন্সেস বাম্বার সঙ্গেই তার ঘনিষ্ঠতা হবে। হলো কিন্তু উল্টো। উমরাও এবং এরডোবক্তে পরস্পরকে পছন্দ করে ফেল্লেন। বিয়েও করে ফেল্লেন। উমরাও সিং শের গিলের লাহোরে গায়ক ফটোগ্রাফার বন্ধু যেমন ছিলেন তেমনি কবি সাহিত্যিকরাও ছিলেন যেমন মোহাম্মদ ইকবাল,কবি ও নওয়াাব জুলফিকার আলি খান,স্যার যোগিন্দর সিং ও মির্জা জালালউদ্দিনের মত খ্যাতিমানরা। কবি ইকবালতো বন্ধুর ইউরোপিয়ান সুন্দরীকে প্রেমিকা নিয়ে প্রেমের কবিতা পর্যন্ত লিখে ছিলেন।উমরাও সেটি ইংরেজীতে অনুবাদ করে স্ত্রী শুনিয়ে ছিলেন।

এমন এক বাবা মায়ের বড় মেয়ে অমৃতা শের গিল অন্যন্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক। সামাজিক বস্তাপঁচা জালে আবদ্ধ হবার মানুষতো তিনি নন। তাকেই সাজে দীর্ঘ যুগ ধরে চলে আসা সামাাজিক ও মানসিক সীমা রেখা ভেঙ্গে চূরমার করার। তবে এত ভাঙ্গচূরের মধ্যেও তার ছবি আঁকা দিনদিন অন্যমাত্রার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলো। তাঁর আঁকাায় প্রাাধন্য পেত সাধারনত অতি সাধারণ ভারতীয় নারী। তখনকার এক জটিল সময়ে অমৃতা জাতপাত ভুলে অতি দরিদ্র্র নারীদের বেঁচে থাাকার সংগ্র্রাামের ছবি এনেছেন।

অনেকে অবুঝের মত অমৃতাকে ইন্ডডিয়ান ফ্রিডা কাহলো বলেন। কেন বলেন জানি না,ফ্রিডাকে বরং মেক্সিকোর অমৃতা শের গিল ও বলা যায়। তারা সমানে সমান।ফ্রিডা মেক্সিকোর প্রথম নারী শিল্পী নন,অমৃতা একাই ভারত ভূখন্ডে প্রথম আধুনিক ছবি নিয়ে গোটা বিশ্বকে দেখিয়েছেন।

তার মাথায় ছোট বেলা থেকে কি চল ছিলো তা বোঝা যায়, মাত্র্র ছয় বছর বয়সে সিমলাার কনভেন্ট স্কুল থেকে বের করে দেয় কারণ তিনি সেই শিশুকালে শিক্ষক সিস্টারকে বলে ছিলেন গডের থাকা কিংবা না থাকায় তার বিশ্বাস নেই।

এর পর ঘরেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা হয়ে ছিলো,পরে ইতালি ফ্লোরেন্স শহরের দামী বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি হয়েও ভালো লাগেনি বলে ছেড়ে এসেছিলেন। ঘরে থেকে সারক্ষণ ছবি আঁকায় মগ্ন থাকতেন। মা অমৃতার আঁকা ছবি দেখে বুঝলেন তার মেয়ের জন্মগত আঁকার প্রতিভা রয়েছে। তাকে মাত্র্র ১৬ বছর বয়সে পাঠানো হলো প্যারিসের সব চেয়ে নামী ও দামী শিল্পশিক্ষালয় একোল দ্য বোজারে। এতদিনে অমৃতা বুঝলেন তার ঠিক মনের মত জায়গাটিতে তিনি এসেছেন। পাঠের ক’বছর শেষ হওয়ার আগেই প্যরিসে তার শিল্প প্রতিভা উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। প্যাারিসের নামী গ্র্যান্ড সালোনে তার ছবি পুরষ্কৃত হয়। অমৃতা বোঝেন তার জন্ম ছবি আঁকার জন্যে। তখন প্যারিসে একই শহরে দাপটে পিকাসো,মাাতিস,ব্রাকের সঙ্গে ছবি আঁকতে লাগলেন। তার ছবির ত্রেতাও বাড়তে লাাগলো। তবে অমৃতা শের গিলের রক্তে নেই সুখে থেকে ছবি একে শুধু নিজের নাম করার। ঘোষণা দিলেন ইউরোপ পিকাসো মাতিস ব্রাকের জন্যে রেখে তিনি ভারতে ছবি আঁকার আধুনিক আলো ছড়াতে চলে যাচ্ছেন। সত্যই তিনি তাই করলেন।

অমৃতা শের গিলের আঁকা ছবি গুলিতে ঘুরে ফিরে তিনি এসেছেন তার ছোট বোন ইন্দিরা এসেছে তাদের নিজেদের নুড স্টেডি বেশ কয়েকটা রয়েছে।আবার অখন্ড ভারতের প্রদেশে-প্রদেশে ঘুরে সাধারণ নারী ও তাদের জীবনই এঁকেছেন বেশি। নারীর শাররিক আকর্ষণ,তাদের দেহবল্লির মাঝে লুকানো রহস্যের খোঁজই করেছেন তিনি।তাঁর ছবি থেকে এবং তাঁর জীবন থেকে যৌনতা সরানো মানে শরীর থেকে চামড়া সরিয়ে ফেলা।

আমার প্রিয় আরেক জন সর্ব কালের সেরা শিল্পী ভিনসেন্ট ভ্যানগোহ মাত্র ১০টি বছর পেয়ে ছিলেন পাগলের মত এত সব ছবি এঁকে রেখে গেছে ভবিষতের জন্যে। অমৃতা শের গিল ও ২৮ বছরে জীবন থেকে ১৬ বছর বাদ দিলে হয়তো বারো কি তের বছরে প্যারিস থেকে লাহোর – সিমলা-চেনন্নাই জায়গা বদল করেছেন আর ফুল টাইম ছবি এঁকেছেন। আজ সারা বিশ্বে নামী গ্যালারী ও মিউজিয়ামে তার ছবি দর্শকের জন্যে রক্ষিত। দিল্লী মিউজিয়ামে তার ছবির সংখ্যা বেশি।ভারতের বাইরে আন্তর্জাতিক শিল্পী হিসেও তিনি প্রথম সারির। তার সময়কালে পিকাসো মাতিস ইউরোপ আর আমেরিকায় পোলাকরা সবাই পুরুষ। তাই ভারতের শিল্পী জননী হলেও বিশ্বের নারী শিল্পীর মধ্যে তিনি পুরোধা আইকন বলতে আমার দ্বিধা নেই।

কয়েকটা নমুনা বলি জগত বিখ্যাত দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইম ১৮৫৬ থেকে নামী কেউ বিশ্বর মানুষের জন্যে অবদান রেখে মারা গেলে ‘ওভারলকড’ প্র্রতিবেদন প্রকাশ করে।বেশির ভাগ সাদা তারপর কিছু কালো এশিয়ানদের হাতে গোনা। সেই ক’জনে শিল্পী অমৃতা শের গিল আছেন। তাকে নিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদন কররেছে। ১৯১৩ ছিলো অমৃতার জন্মসাল ২০১৩ কে তাই ইউনেস্কো ঘোষণা করেছিলো অমৃতা শের গিল ইয়ার।

আবার ঢাকা আর্ট সামিটে ফেরা যাক,আশা করি বোঝাতে পেরেছি অমৃতা শের গিলের বোন ইন্দিরা শের গিলের পুত্র ভিভান সুন্দরম যতই বিখ্যাত আর্টস্ট হোন না কেন আমার কাছে জীবন্ত একজন অমৃতা শের গিলের আত্মীয় এটা এক বড় ব্যাপার।

সেমিনার শেষে আমি তাকে সামিটের ভেতরে ক্যাফেতে চারশত টাকা কাপ কফি অফার করলাম। তিনি জানতে চাইলেন আমি শিল্পকলা একাডেমিতে এলে কোথায় চা কফি পান করি? কিছুটা লজ্জা পেলেও সত্যি বল্লাম। কর্মকর্তাদের কাছে এলে তারা সরকারী ফ্রী কফি চা খাওয়ান। একা থাকলে বাইরে ফুটপাথে কন্ডেন্টস মিল্কের চা আমার দারুণ লাগে। তিনি সেটাই পছন্দ করলেন। খোলা আকাশের নিচে নড়বড়ে কাঠের বেঞ্চে বসে রং চা পান করলেন। জিজ্ঞেস করে ছিলাম জাতীয় যাদুঘর কিংবা বেঙ্গল গ্যালারী বা অন্য কোথাও যেতে চান কিনা। বল্লেন-ওসবনা! আগাামীকাল রাতে ডিনারের আমন্ত্র্রণ আছে দুপুর ২টায় সেমিনার শেষ,এই ফাঁকে ওল্ড ঢাকা তোমার সঙ্গে রিক্সায় ঘুরে দেখতে চাই। সম্ভবত তিনি আমার ওপর প্রীত হয়ে ছিলেন।তাই ঢাকা ছাড়ার আগে তার হোটেল রুমে ডেকে তার সম্পাদনে বিশাল বই উমরাও সিং শের গিলের তোলা ছবির পারবারিক ছবি তিনি আবার কোলাজ করে ছেপেছেন তা উল্টে পাল্টে দেখালেন।

প্রসঙ্গক্রমে বলি আমার আরেকজন সুদর্শন নামী বলিউড অভিনেতা জাগজিত সিং শের গিলের সঙ্গেও মুম্বাইয়ের ফিল্ম ফেস্টভ্যালে ভাগ্যক্রমে দেখা হয়ে ছিলো। সাংবাদিক ও ভক্তা তাকে ঘিরে রেখে ছিলো।কাছে গিয়ে পাত্তা পাওয়া মুস্কিল তাই দূর থেকেই জোরে বল্লাম- জিমি শের গিল আমি আপনার আন্টি অমৃতা শের গিলকে নিয়ে দুইটা কথা বলতে চাই। জিমি শের গিল মুখ ঘুরিয়ে তাকালেন।হাতের ইশারায় কাছে ডাকলেন। সবাইকে সেরে আমাকে নিয়ে ফেস্টিভ্যালের ফ্রী কফি বুথে গিয়ে কাগজের কাপে নিজে কফি বানিয়ে আমার হাতে তুলে দিয়ে বলে ছিলেন-সাধারণত এই ফিল্মীদুনিয়াতে আন্টির কথা কেউ জিজ্ঞেস করে না,তুমি কোন গাছের ফলরে ভাই!

অমৃতা শের গিল তারর স্বামী ও মামাতো ভাই ভিক্টর এগেন কে নিয়ে গোটা ভারত ঘুরে ছবি এঁকে ১৯৪১শের দিকে থিতু হয়েছিলেন লাহোরে। বাবার প্যালেসে না থেকে নিজের পছন্দ মত স্টুডিও কাম রেসিডেন্স গুছিয়ে তুলে ছিলেন। নিচে স্টুডিওতে সারা দিন একটানা ছবি আঁকতেন সন্ধ্যার পর দোতলায় বড় ব্যালকনিতে বসতো আড্ডা লাহোর তখন অখন্ড ভারতে সব চেয়ে জমজমাট কালচারাাল সিটি লাহোরের খ্যাতিমাান শিল্পী সাহিত্যিক কবিরা আসতেন।শুনেছি পাকিস্তানের লিজেন্ড আর্টিস্ট এম আর চুখতাই ও যেতেন সেই আড্ডায়। সব প্রস্তুতি প্র্রায় শেষ বড় গ্যালারীতে অমৃতার একক ছবির প্রদর্শনীর। তিনি ধুমসে কাজ করলেও আবার তখন গর্ভবতী হয়ে পড়ে ছিলেন।স্বামী ভিক্টর হাতুড়ে ডাক্তার আগেও তার গর্ভপাত করিয়েছেন। তাই অমৃতা নিজের প্রদরশনী আরো আঁকা নিয়ে যতটা সিরিয়াস ছিলেন আবার গর্ভধারণ নিয়ে মোটেই ছিলেন না। ভেবে ছিলেন একদিন আঁকা বন্ধ রাখবেন সন্ধ্যায় আড্ডাও সেদিন হবেনা সেদিন ব্রেক নিয়ে গর্ভপাত কররিয়ে ফেলবেন।।তখনতো জন্মকে নারী নিয়ন্ত্রণ করার এখনকার মত উপকরণ ছিলোনা। ঘনঘন নারীগন গর্ভবতী হতেন। সাত থেকে বারোটা সন্তান জন্ম দিতেন।সেটিই যেন তাদের প্রধাণ কাজ ছিলো। অমৃতার চিন্তা ছিলো সন্তানকে সময় দিতে না পারলে তাদের পৃথিবীতে আনা এক রকম পাপ! অমৃতার হাতে সন্তান পালনের সময় কই। তাইতো বারবার গর্ভপাত ছাড়া উপায় ছিলোনা। একবার স্বামী ভিক্টর এগেন দ্বারা তা সহজে হয়ে গিয়ে ছিলো দুই দিনেই সুস্থ হয়ে ছবি আঁকতে শুরু করে ছিলেন বলে কনফিডেন্ট ছিলেন সকালে গর্ভপাত হলে পর দিন ঠিক হয়ে যাবেন।এবার আর তেমনটি হলোনা। জটিলতা দেখা দিলো,ভিক্টর এগেন সামলাতে পারছিলেন না। রক্তক্ষরণে ভেসে যাচ্ছিলো সব। বাবা খবর পেয়ে বড় গাইনি ডাক্তার নিয়ে হাজির হওয়ার দশ মিনিট আগে আজকের বিশ্বের শিল্পীদের আইকন অমৃতা শের গিল অসমাপ্ত ছবি অসমাপ্ত প্রদর্শনী সব ফেলে রেখে ৫ডিসেম্বর ১৯৪১ মাত্র ২৮ বছরে মারা গেলেন।

আজো আমার ভেতরে তার জন্যে দুঃবোধ চেপে আছে মনে হয়।যদি তিনি আরো ত্রিশ কিংবা চল্লিশ বছর বেঁচে থাকতেন! গোটা পৃথিবীতে এই প্রথম সাউথ এশিয়ার প্রথম একজন নারী শিল্পী জননীর কাছ থেকে আরো কতো ছবি পেতো।সাউথ এশিয়ান ছবির সুনাম কতটা হতো। আজ তাই অমৃ তা শের গিলের প্রতি যতই সামান্য হই তবু একজন আর্টিস্ট হিসেবে বলতে চাই – মা তোমাকে সালাম।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles